ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এফবিআইয়ের হাজারো কর্মকর্তার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত

৯ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ: বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত দেশের নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো চার্জ গঠন করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি ইনটিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, সন্দেহের তালিকায় থাকা এসব ক্রিকেটারের ওপর ইনটিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে ওই ক্রিকেটারদের ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ নেই। অ্যালেক্স মার্শাল জানান, বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য তাদের সম্পৃক্ত না করার যে সুপারিশ ছিল, তা কেবল ওই আসরের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। এছাড়া বিসিবির জেনারেল কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে যে কোনো সময় তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হতে পারে। সন্দেহের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের নজরদারিতে রাখার বিষয়টি ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের জানানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিপিএলের একাদশ আসরের ফিক্সিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, আল আমিন হোসেন, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, মোহাম্মদ নিহাদুজ্জামান ও সানজামুল ইসলামকে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের ড্রাফটে রাখা হয়নি। তবে বিপিএল ছাড়া দেশের অন্যান্য ঘরোয়া লিগ ও টুর্নামেন্টে খেলতে তাদের কোনো বাধা নেই। এমনকি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জাতীয় দলেও নিয়মিত খেলছেন। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও এর আগে জানিয়েছিলেন যে, অকাট্য প্রমাণ না থাকায় তাদের খেলতে কোনো বাধা নেই।

ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বিসিবি বা অ্যালেক্স মার্শাল আনুষ্ঠানিকভাবে এই নয় ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি, বরং একটি মামলার সূত্র ধরে তাদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। বিসিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন কোনো তথ্য বা অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

৯ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ: বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১২:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত দেশের নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো চার্জ গঠন করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি ইনটিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, সন্দেহের তালিকায় থাকা এসব ক্রিকেটারের ওপর ইনটিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে ওই ক্রিকেটারদের ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ নেই। অ্যালেক্স মার্শাল জানান, বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য তাদের সম্পৃক্ত না করার যে সুপারিশ ছিল, তা কেবল ওই আসরের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। এছাড়া বিসিবির জেনারেল কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে যে কোনো সময় তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হতে পারে। সন্দেহের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের নজরদারিতে রাখার বিষয়টি ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের জানানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিপিএলের একাদশ আসরের ফিক্সিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, আল আমিন হোসেন, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, মোহাম্মদ নিহাদুজ্জামান ও সানজামুল ইসলামকে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের ড্রাফটে রাখা হয়নি। তবে বিপিএল ছাড়া দেশের অন্যান্য ঘরোয়া লিগ ও টুর্নামেন্টে খেলতে তাদের কোনো বাধা নেই। এমনকি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জাতীয় দলেও নিয়মিত খেলছেন। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও এর আগে জানিয়েছিলেন যে, অকাট্য প্রমাণ না থাকায় তাদের খেলতে কোনো বাধা নেই।

ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বিসিবি বা অ্যালেক্স মার্শাল আনুষ্ঠানিকভাবে এই নয় ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি, বরং একটি মামলার সূত্র ধরে তাদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। বিসিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন কোনো তথ্য বা অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh