ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায় কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং দমনে একরাতে ৬২৪ জন আটক বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের

এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের পেস তোপে ১৩৩ রানেই গুটিয়ে গেল পাকিস্তান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ০৪। সিরিজের মাঝপথে সাতটি পরিবর্তন এনেও কোনো সুফল পেল না পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে ইংল্যান্ডের বিধ্বংসী পেস আক্রমণের মুখে পড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১৩৩ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের প্রথম ইনিংস। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ইংল্যান্ড তাদের জবাবে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান সংগ্রহ করেছে।

ইংলিশ পেসারদের মধ্যে জশ টাং একাই নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া অলি রবিনসন ও জোফ্রা আর্চার শিকার করেছেন তিনটি করে উইকেট। ম্যাচের প্রথম ঘণ্টাতেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার পুরোপুরি ধসে পড়ে। দলীয় ৪৮ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন পাঁচ ব্যাটার, তখন ইনিংসের মাত্র ১৫তম ওভার চলছিল। দলে সুযোগ পাওয়া তিন অভিষিক্ত ক্রিকেটারের কেউই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি।

সাইম আইয়ুব পঞ্চম বলেই এলবিডব্লিউর হাত থেকে বেঁচে গেলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পরের ওভারেই রবিনসন তাকে ফিরিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ১০০তম টেস্ট উইকেট পূর্ণ করেন। বেন ডাকেটের হাতে জীবন পেয়েও আজান আওয়াইস ব্যর্থ হন, তিন বল পরই টাংয়ের বলে মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। আব্দুল্লাহ শফিককে স্লিপে ড্যান লরেন্সের দারুণ ক্যাচে ফেরান রবিনসন। আর্চারের বলে টপ-এজড পুল শটে শান মাসুদের বিদায় ইনিংসের বিপর্যয় আরও বাড়িয়ে দেয়।

২৬ রানে চার উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরার দায়িত্ব ছিল অধিনায়ক বাবর আজমের ওপর। কিন্তু টাংয়ের বলে অফ স্টাম্প উপড়ে গেলে ৭ রানেই শেষ হয় তার সংগ্রাম। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ সৌদ শাকিল একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৪৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি দলের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। এছাড়া উইকেটকিপার গাজী ঘোরি ও অভিষিক্ত মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া দ্রুতই ফিরে যান। মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলীর দশম উইকেটের ২৬ রানের জুটিটি ছিল ইনিংসের সেরা, যা এই সিরিজে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটির গত পাঁচ ইনিংসের সম্মিলিত রানের চেয়েও বেশি।

সিরিজের প্রথম দুই টেস্ট হেরে পাকিস্তান এখন ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় রয়েছে। টানা এমন বিপর্যয় দলটির টেস্ট ক্রিকেটে টিকে থাকার সামর্থ্য নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের পেস তোপে ১৩৩ রানেই গুটিয়ে গেল পাকিস্তান

আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ০৪। সিরিজের মাঝপথে সাতটি পরিবর্তন এনেও কোনো সুফল পেল না পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে ইংল্যান্ডের বিধ্বংসী পেস আক্রমণের মুখে পড়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সফরকারীদের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১৩৩ রানেই গুটিয়ে গেছে তাদের প্রথম ইনিংস। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ইংল্যান্ড তাদের জবাবে ২ উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান সংগ্রহ করেছে।

ইংলিশ পেসারদের মধ্যে জশ টাং একাই নিয়েছেন ৪টি উইকেট। এছাড়া অলি রবিনসন ও জোফ্রা আর্চার শিকার করেছেন তিনটি করে উইকেট। ম্যাচের প্রথম ঘণ্টাতেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার পুরোপুরি ধসে পড়ে। দলীয় ৪৮ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন পাঁচ ব্যাটার, তখন ইনিংসের মাত্র ১৫তম ওভার চলছিল। দলে সুযোগ পাওয়া তিন অভিষিক্ত ক্রিকেটারের কেউই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি।

সাইম আইয়ুব পঞ্চম বলেই এলবিডব্লিউর হাত থেকে বেঁচে গেলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পরের ওভারেই রবিনসন তাকে ফিরিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ১০০তম টেস্ট উইকেট পূর্ণ করেন। বেন ডাকেটের হাতে জীবন পেয়েও আজান আওয়াইস ব্যর্থ হন, তিন বল পরই টাংয়ের বলে মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। আব্দুল্লাহ শফিককে স্লিপে ড্যান লরেন্সের দারুণ ক্যাচে ফেরান রবিনসন। আর্চারের বলে টপ-এজড পুল শটে শান মাসুদের বিদায় ইনিংসের বিপর্যয় আরও বাড়িয়ে দেয়।

২৬ রানে চার উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরার দায়িত্ব ছিল অধিনায়ক বাবর আজমের ওপর। কিন্তু টাংয়ের বলে অফ স্টাম্প উপড়ে গেলে ৭ রানেই শেষ হয় তার সংগ্রাম। শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ সৌদ শাকিল একাই লড়াই চালিয়ে যান। ৪৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি দলের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে প্রতিরোধ গড়েছিলেন। এছাড়া উইকেটকিপার গাজী ঘোরি ও অভিষিক্ত মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া দ্রুতই ফিরে যান। মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলীর দশম উইকেটের ২৬ রানের জুটিটি ছিল ইনিংসের সেরা, যা এই সিরিজে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটির গত পাঁচ ইনিংসের সম্মিলিত রানের চেয়েও বেশি।

সিরিজের প্রথম দুই টেস্ট হেরে পাকিস্তান এখন ধবলধোলাইয়ের শঙ্কায় রয়েছে। টানা এমন বিপর্যয় দলটির টেস্ট ক্রিকেটে টিকে থাকার সামর্থ্য নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh