ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলা: ৭ স্বাস্থ্যকর্মীর ১২ বছরের কারাদণ্ড চাইলেন আইনজীবীরা রায়পুরায় ম্যারাথন: অংশ নিলেন দেশ-বিদেশের প্রায় ১ হাজার দৌড়বিদ মতিঝিলে ভবন দখলের অভিযোগ: যুব অধিকার পরিষদ থেকে সানি সারোয়ার বহিষ্কার রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা: চিফ হুইপ শনিবার শুভ মহালয়া, শুরু হচ্ছে দেবীপক্ষ ও দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা অ্যান্টার্কটিকায় উধাও পাঁচ লাখ পেঙ্গুইন, হারাল বৃহত্তম কলোনির খেতাব ‘এতিমখানায় টাকা দিয়ে দিস’, নানা পাটেকরের স্মৃতিচারণায় রোহিত শেঠি মোদি সরকারের সমালোচক ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির জনপ্রিয়তার নেপথ্যে কী? দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তা: সিজেপির বিক্ষোভ ঠেকাতে তৎপর পুলিশ নিরাপত্তা আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে মোজতবা খামেনি

আর্জেন্টিনাকে হারানোর যে ৪ কারণ দেখছে ইংল্যান্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচটি কেবল একটি নকআউট লড়াই নয়, বরং দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগও। টমাস টুখেলের দলের আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে চারটি জোরালো কারণ।

প্রথমত, আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবারের বিশ্বকাপে খুব একটা জমাট নয়। নকআউট পর্বে খেলা তিন ম্যাচে দলটি মোট ৫টি গোল হজম করেছে। শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল। এছাড়া কেপ ভার্দে ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেতে তাদের অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেমিফাইনালে ওঠা চারটি দলের মধ্যে প্রতিপক্ষের শট সেভের দিক থেকেও আর্জেন্টিনা সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার হার ৫৭ শতাংশ। প্রতিপক্ষ সুযোগ পেলেই তাদের রক্ষণকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়েছে, যা কাজে লাগাতে পারে ইংল্যান্ড।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে রয়েছে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত ফর্ম। বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে দুজনেই ৬টি করে গোল করেছেন। নকআউটের চাপের মুহূর্তে বেলিংহাম নরওয়ে ও মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন, যা ডিয়েগো ম্যারাডোনার পর বিশ্বকাপে টানা দুই নকআউটে এমন কীর্তি। অন্যদিকে, কেইন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়া ম্যাচে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছেন। এই জুটি যেকোনো রক্ষণকে ভোগাতে সক্ষম।

তৃতীয়ত, ইংল্যান্ড ধারাবাহিকভাবে প্রতিপক্ষের বক্সে গোল করার মতো বড় সুযোগ তৈরি করছে। সেমিফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৮টি ‘বিগ চান্স’ তৈরি করেছে। হেড, কাটব্যাক বা দ্রুত গতির আক্রমণে তারা প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করছে। আর্জেন্টিনার রক্ষণ যদি আগের ম্যাচগুলোর মতো ফাঁক রেখে খেলে, তবে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা তার পূর্ণ সুবিধা নিতে পারবেন।

চতুর্থত, আর্জেন্টিনাকে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের পর নকআউটে তারা কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে। টুখেলের দলের বিশ্বাস, তুলনামূলক ছোট দলগুলো যদি আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলতে পারে, তবে র‍্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বর দল হিসেবে ইংল্যান্ড কেন পারবে না? এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই তারা মাঠে নামবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

আর্জেন্টিনাকে হারানোর যে ৪ কারণ দেখছে ইংল্যান্ড

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচটি কেবল একটি নকআউট লড়াই নয়, বরং দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগও। টমাস টুখেলের দলের আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে চারটি জোরালো কারণ।

প্রথমত, আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবারের বিশ্বকাপে খুব একটা জমাট নয়। নকআউট পর্বে খেলা তিন ম্যাচে দলটি মোট ৫টি গোল হজম করেছে। শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল। এছাড়া কেপ ভার্দে ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেতে তাদের অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেমিফাইনালে ওঠা চারটি দলের মধ্যে প্রতিপক্ষের শট সেভের দিক থেকেও আর্জেন্টিনা সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার হার ৫৭ শতাংশ। প্রতিপক্ষ সুযোগ পেলেই তাদের রক্ষণকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়েছে, যা কাজে লাগাতে পারে ইংল্যান্ড।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে রয়েছে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত ফর্ম। বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে দুজনেই ৬টি করে গোল করেছেন। নকআউটের চাপের মুহূর্তে বেলিংহাম নরওয়ে ও মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন, যা ডিয়েগো ম্যারাডোনার পর বিশ্বকাপে টানা দুই নকআউটে এমন কীর্তি। অন্যদিকে, কেইন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়া ম্যাচে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছেন। এই জুটি যেকোনো রক্ষণকে ভোগাতে সক্ষম।

তৃতীয়ত, ইংল্যান্ড ধারাবাহিকভাবে প্রতিপক্ষের বক্সে গোল করার মতো বড় সুযোগ তৈরি করছে। সেমিফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৮টি ‘বিগ চান্স’ তৈরি করেছে। হেড, কাটব্যাক বা দ্রুত গতির আক্রমণে তারা প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করছে। আর্জেন্টিনার রক্ষণ যদি আগের ম্যাচগুলোর মতো ফাঁক রেখে খেলে, তবে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা তার পূর্ণ সুবিধা নিতে পারবেন।

চতুর্থত, আর্জেন্টিনাকে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের পর নকআউটে তারা কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে। টুখেলের দলের বিশ্বাস, তুলনামূলক ছোট দলগুলো যদি আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলতে পারে, তবে র‍্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বর দল হিসেবে ইংল্যান্ড কেন পারবে না? এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই তারা মাঠে নামবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor