ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাটকীয় জয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা নিউ ইয়র্কে মতিউর রহমান চৌধুরী ও মাহবুবা চৌধুরীকে প্রবাসী সাংবাদিকদের সংবর্ধনা ১৬ জুলাই ২০২৬: টিভিতে আজকের খেলার সময়সূচি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অনেকেই মাদক ব্যবসায় জড়িত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আর্জেন্টিনাকে হারানোর যে ৪ কারণ দেখছে ইংল্যান্ড ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনা একক বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ গঠনে জাতীয় সংসদে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল পাস আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে আবারও বিয়ের ঘোষণা দিলেন পরীমনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা

আর্জেন্টিনাকে হারানোর যে ৪ কারণ দেখছে ইংল্যান্ড

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচটি কেবল একটি নকআউট লড়াই নয়, বরং দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগও। টমাস টুখেলের দলের আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে চারটি জোরালো কারণ।

প্রথমত, আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবারের বিশ্বকাপে খুব একটা জমাট নয়। নকআউট পর্বে খেলা তিন ম্যাচে দলটি মোট ৫টি গোল হজম করেছে। শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল। এছাড়া কেপ ভার্দে ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেতে তাদের অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেমিফাইনালে ওঠা চারটি দলের মধ্যে প্রতিপক্ষের শট সেভের দিক থেকেও আর্জেন্টিনা সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার হার ৫৭ শতাংশ। প্রতিপক্ষ সুযোগ পেলেই তাদের রক্ষণকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়েছে, যা কাজে লাগাতে পারে ইংল্যান্ড।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে রয়েছে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত ফর্ম। বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে দুজনেই ৬টি করে গোল করেছেন। নকআউটের চাপের মুহূর্তে বেলিংহাম নরওয়ে ও মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন, যা ডিয়েগো ম্যারাডোনার পর বিশ্বকাপে টানা দুই নকআউটে এমন কীর্তি। অন্যদিকে, কেইন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়া ম্যাচে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছেন। এই জুটি যেকোনো রক্ষণকে ভোগাতে সক্ষম।

তৃতীয়ত, ইংল্যান্ড ধারাবাহিকভাবে প্রতিপক্ষের বক্সে গোল করার মতো বড় সুযোগ তৈরি করছে। সেমিফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৮টি ‘বিগ চান্স’ তৈরি করেছে। হেড, কাটব্যাক বা দ্রুত গতির আক্রমণে তারা প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করছে। আর্জেন্টিনার রক্ষণ যদি আগের ম্যাচগুলোর মতো ফাঁক রেখে খেলে, তবে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা তার পূর্ণ সুবিধা নিতে পারবেন।

চতুর্থত, আর্জেন্টিনাকে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের পর নকআউটে তারা কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে। টুখেলের দলের বিশ্বাস, তুলনামূলক ছোট দলগুলো যদি আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলতে পারে, তবে র‍্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বর দল হিসেবে ইংল্যান্ড কেন পারবে না? এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই তারা মাঠে নামবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

আর্জেন্টিনাকে হারানোর যে ৪ কারণ দেখছে ইংল্যান্ড

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
print news

১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচটি কেবল একটি নকআউট লড়াই নয়, বরং দীর্ঘ ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটানোর সুযোগও। টমাস টুখেলের দলের আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে চারটি জোরালো কারণ।

প্রথমত, আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবারের বিশ্বকাপে খুব একটা জমাট নয়। নকআউট পর্বে খেলা তিন ম্যাচে দলটি মোট ৫টি গোল হজম করেছে। শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে তারা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল। এছাড়া কেপ ভার্দে ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেতে তাদের অতিরিক্ত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। সেমিফাইনালে ওঠা চারটি দলের মধ্যে প্রতিপক্ষের শট সেভের দিক থেকেও আর্জেন্টিনা সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে, যার হার ৫৭ শতাংশ। প্রতিপক্ষ সুযোগ পেলেই তাদের রক্ষণকে চাপে ফেলতে সক্ষম হয়েছে, যা কাজে লাগাতে পারে ইংল্যান্ড।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে রয়েছে হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত ফর্ম। বিশ্বকাপের এই পর্যায়ে দুজনেই ৬টি করে গোল করেছেন। নকআউটের চাপের মুহূর্তে বেলিংহাম নরওয়ে ও মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন, যা ডিয়েগো ম্যারাডোনার পর বিশ্বকাপে টানা দুই নকআউটে এমন কীর্তি। অন্যদিকে, কেইন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পিছিয়ে পড়া ম্যাচে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে দলকে জিতিয়েছেন। এই জুটি যেকোনো রক্ষণকে ভোগাতে সক্ষম।

তৃতীয়ত, ইংল্যান্ড ধারাবাহিকভাবে প্রতিপক্ষের বক্সে গোল করার মতো বড় সুযোগ তৈরি করছে। সেমিফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৮টি ‘বিগ চান্স’ তৈরি করেছে। হেড, কাটব্যাক বা দ্রুত গতির আক্রমণে তারা প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ তৈরি করছে। আর্জেন্টিনার রক্ষণ যদি আগের ম্যাচগুলোর মতো ফাঁক রেখে খেলে, তবে ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ডরা তার পূর্ণ সুবিধা নিতে পারবেন।

চতুর্থত, আর্জেন্টিনাকে প্রথমবারের মতো সত্যিকারের বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। গ্রুপ পর্বের পর নকআউটে তারা কেপ ভার্দে, মিশর ও সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে এসেছে। টুখেলের দলের বিশ্বাস, তুলনামূলক ছোট দলগুলো যদি আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলতে পারে, তবে র‍্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বর দল হিসেবে ইংল্যান্ড কেন পারবে না? এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই তারা মাঠে নামবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor