ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে ৫৮ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্ত বসুন্ধরা কিংস, দলবদলে বাধা নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ: ট্রাম্পের বড় ঘোষণা কিয়েভের উপকণ্ঠে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ২৭ গোলাপগঞ্জে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত মার্কিন অবরোধের মাঝেই ইরানের ৭.৫ বিলিয়ন ডলারের তেল রাজস্ব ইসির প্রস্তুতি শেষ হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীর টানে রিকশা থেকে পড়ে শিক্ষিকার মৃত্যু বাউফলে রহস্যজনকভাবে ৩ মহিষের মৃত্যু, অসুস্থ আরও অন্তত ৩০

ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যক্তিগত প্রতিভার চেয়ে দলীয় সংহতিকে বড় করে দেখে ফ্রান্সের মতো তারকাখচিত দলকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ম্যাচে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা প্রমাণ করেছে যে, দলীয় বোঝাপড়া ও ছন্দই ফুটবলে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। যদিও কাগজে-কলমে ফ্রান্সের দলে কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে বা মাইকেল ওলিসের মতো বড় তারকারা ছিলেন, কিন্তু মাঠে স্পেন প্রতিটি পজিশনে প্রতিপক্ষের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে ছিল।

স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের গতি, পারস্পরিক অবস্থান এবং নিখুঁত সমন্বয় ফ্রান্সকে তাদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, স্পেন এই ম্যাচে তাদের ব্যক্তিগত সামর্থ্যের যোগফলের চেয়েও শক্তিশালী একটি দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অন্যদিকে, ফ্রান্সের পারফরম্যান্স ছিল তাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সমষ্টির চেয়েও ম্লান।

ম্যাচটিতে স্পেনের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো। পুরো ম্যাচ রক্ষণভাগ সামলানোর পাশাপাশি দ্বিতীয়ার্ধে দলের জয়সূচক গোলটিও এসেছে তাঁর পা থেকে। ম্যাচশেষে এই জয়কে নিজের জন্য ‘স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো’ আখ্যা দিয়ে পোরো বলেন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারা পরিকল্পনামতো খেলেছেন। তিনি আরও জানান, ফ্রান্সের পাল্টা আক্রমণ ঠেকানোই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য এবং বলের দখল ধরে রেখে তারা সেই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন।

২৬ বছর বয়সী এই টটেনহাম ডিফেন্ডার পুরো কৃতিত্ব দলের ২৬ জন খেলোয়াড়কে দিয়েছেন। বিশ্বকাপের আগে স্পেনের হয়ে গোলশূন্য থাকা পোরো এই টুর্নামেন্টে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ফাইনালে পৌঁছে দিলেন। ম্যাচ শেষে ক্লান্তি থাকলেও ফাইনালে ফের পূর্ণ শক্তি নিয়ে ফেরার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো এমন সাফল্য অর্জনে স্পেনের পুরো দলের ঐক্যই ছিল জয়ের মূল চাবিকাঠি।

তাতে ফ্রান্সকে ২–০ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপের ফাইনালও।.ব্যাপারটা এমন নয় যে ফ্রান্স ব্যক্তিগত নৈপুণ্য আঁকড়ে ধরে ছিল বা দলীয় ঐক্যের ভিত্তিতে খেলার চেষ্টা করেনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

আপডেট সময় : ০৬:৩০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ব্যক্তিগত প্রতিভার চেয়ে দলীয় সংহতিকে বড় করে দেখে ফ্রান্সের মতো তারকাখচিত দলকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ম্যাচে ২-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা প্রমাণ করেছে যে, দলীয় বোঝাপড়া ও ছন্দই ফুটবলে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। যদিও কাগজে-কলমে ফ্রান্সের দলে কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে বা মাইকেল ওলিসের মতো বড় তারকারা ছিলেন, কিন্তু মাঠে স্পেন প্রতিটি পজিশনে প্রতিপক্ষের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে ছিল।

স্প্যানিশ খেলোয়াড়দের গতি, পারস্পরিক অবস্থান এবং নিখুঁত সমন্বয় ফ্রান্সকে তাদের স্বাভাবিক খেলা খেলতে দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, স্পেন এই ম্যাচে তাদের ব্যক্তিগত সামর্থ্যের যোগফলের চেয়েও শক্তিশালী একটি দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। অন্যদিকে, ফ্রান্সের পারফরম্যান্স ছিল তাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সমষ্টির চেয়েও ম্লান।

ম্যাচটিতে স্পেনের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো। পুরো ম্যাচ রক্ষণভাগ সামলানোর পাশাপাশি দ্বিতীয়ার্ধে দলের জয়সূচক গোলটিও এসেছে তাঁর পা থেকে। ম্যাচশেষে এই জয়কে নিজের জন্য ‘স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো’ আখ্যা দিয়ে পোরো বলেন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারা পরিকল্পনামতো খেলেছেন। তিনি আরও জানান, ফ্রান্সের পাল্টা আক্রমণ ঠেকানোই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য এবং বলের দখল ধরে রেখে তারা সেই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছেন।

২৬ বছর বয়সী এই টটেনহাম ডিফেন্ডার পুরো কৃতিত্ব দলের ২৬ জন খেলোয়াড়কে দিয়েছেন। বিশ্বকাপের আগে স্পেনের হয়ে গোলশূন্য থাকা পোরো এই টুর্নামেন্টে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে দলকে ফাইনালে পৌঁছে দিলেন। ম্যাচ শেষে ক্লান্তি থাকলেও ফাইনালে ফের পূর্ণ শক্তি নিয়ে ফেরার প্রত্যয় জানিয়েছেন তিনি। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো এমন সাফল্য অর্জনে স্পেনের পুরো দলের ঐক্যই ছিল জয়ের মূল চাবিকাঠি।

তাতে ফ্রান্সকে ২–০ গোলে হারিয়ে নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপের ফাইনালও।.ব্যাপারটা এমন নয় যে ফ্রান্স ব্যক্তিগত নৈপুণ্য আঁকড়ে ধরে ছিল বা দলীয় ঐক্যের ভিত্তিতে খেলার চেষ্টা করেনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo