ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল: যুক্তরাজ্য থেকে বাড়তি পুলিশ পাঠাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের সমর্থকদের ভালোবাসায় মুগ্ধ আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ মুখোমুখি স্পেন ও ফ্রান্স ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন, স্বপ্নভঙ্গ ফ্রান্সের শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না: জামায়াত আমির বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করল স্পেন, বিদায় নিল ফ্রান্স স্পেনের কাছে হেরে ইউরো থেকে বিদায় নিল এমবাপ্পের ফ্রান্স ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ১৮ কোটি থেকে ৩০০ কোটি: শাহরুখের স্বপ্নের মান্নাতের দীর্ঘ পথ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের পেনাল্টি নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই

স্পেনের কাছে হেরে ইউরো থেকে বিদায় নিল এমবাপ্পের ফ্রান্স

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে এক বিষাদময় পরিস্থিতির সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপার স্বপ্ন চূর্ণ হলো ফ্রান্সের। মাঠের ঘাসের দিকে তাকিয়ে প্রায় এক মিনিট স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, তার সতীর্থদের মধ্যেও ছিল চরম হতাশা। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে বিবেচিত ফ্রান্স স্পেনের কৌশলী ফুটবলের কাছে পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের নিয়ন্ত্রণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফরাসিদের প্রধান ভয়ের কারণ ছিলেন তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। ম্যাচের এক পর্যায়ে ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়েকে ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ইয়ামাল। বল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ইয়ামালের শরীরে স্পর্শ লাগলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল, এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা হলো ৫। এই গোলের পর স্পেনের আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ফ্রান্সের সাবেক অধিনায়ক প্যাট্রিক ভিয়েরা আইটিভিকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় জানান, ফরাসি দলে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। তিনি বলেন, তারা সম্ভবত স্প্যানিশ দলটিকে নিয়ে অতিরিক্ত ভয় পেয়েছিল এবং দলের মধ্যে নেতৃত্ব দেয়ার মতো ব্যক্তিত্বের ঘাটতি ছিল। ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে বলের সন্ধানে ডানে-বামে ছুটলেও সফল হতে পারেননি। ফরাসিদের আক্রমণভাগে ওলিসে এবং দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

ফরাসি দৈনিক লেকিপের মতে, স্পেন প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রান্সকে কোণঠাসা করে রেখেছিল এবং এই পরাজয় ছিল যুক্তিযুক্ত। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পিঠের ব্যথার কারণে নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়লে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদিও ফ্রান্স গোল পরিশোধের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের আক্রমণ ছিল এলোমেলো ও নিয়ন্ত্রণহীন। অন্যদিকে, পেদ্রো পোরো ও কুকুরেয়ার চমৎকার বিল্ডআপে স্পেনের জয় ছিল সুনিশ্চিত। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাস আর ফরাসি শিবিরে কান্নার মধ্য দিয়ে পর্দা নামে এই নাটকীয় লড়াইয়ের।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পেনের কাছে হেরে ইউরো থেকে বিদায় নিল এমবাপ্পের ফ্রান্স

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
print news

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে এক বিষাদময় পরিস্থিতির সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপার স্বপ্ন চূর্ণ হলো ফ্রান্সের। মাঠের ঘাসের দিকে তাকিয়ে প্রায় এক মিনিট স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, তার সতীর্থদের মধ্যেও ছিল চরম হতাশা। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অপ্রতিরোধ্য হিসেবে বিবেচিত ফ্রান্স স্পেনের কৌশলী ফুটবলের কাছে পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের নিয়ন্ত্রণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফরাসিদের প্রধান ভয়ের কারণ ছিলেন তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। ম্যাচের এক পর্যায়ে ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়েকে ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েন ইয়ামাল। বল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ইয়ামালের শরীরে স্পর্শ লাগলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল, এ নিয়ে বিশ্বকাপে তার গোল সংখ্যা হলো ৫। এই গোলের পর স্পেনের আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

ফ্রান্সের সাবেক অধিনায়ক প্যাট্রিক ভিয়েরা আইটিভিকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় জানান, ফরাসি দলে আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। তিনি বলেন, তারা সম্ভবত স্প্যানিশ দলটিকে নিয়ে অতিরিক্ত ভয় পেয়েছিল এবং দলের মধ্যে নেতৃত্ব দেয়ার মতো ব্যক্তিত্বের ঘাটতি ছিল। ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে বলের সন্ধানে ডানে-বামে ছুটলেও সফল হতে পারেননি। ফরাসিদের আক্রমণভাগে ওলিসে এবং দেম্বেলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।

ফরাসি দৈনিক লেকিপের মতে, স্পেন প্রতিটি ক্ষেত্রে ফ্রান্সকে কোণঠাসা করে রেখেছিল এবং এই পরাজয় ছিল যুক্তিযুক্ত। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পিঠের ব্যথার কারণে নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়লে ফ্রান্সের রক্ষণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। যদিও ফ্রান্স গোল পরিশোধের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাদের আক্রমণ ছিল এলোমেলো ও নিয়ন্ত্রণহীন। অন্যদিকে, পেদ্রো পোরো ও কুকুরেয়ার চমৎকার বিল্ডআপে স্পেনের জয় ছিল সুনিশ্চিত। ম্যাচ শেষে গ্যালারিতে স্প্যানিশ সমর্থকদের উল্লাস আর ফরাসি শিবিরে কান্নার মধ্য দিয়ে পর্দা নামে এই নাটকীয় লড়াইয়ের।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin