ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আল নাসরকে জিতিয়ে রোনালদোর ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা ৯৭৮ হাওরাঞ্চলের জলাশয় থেকে হারিয়ে যাচ্ছে নানা প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ নেপালে বন্যার তাণ্ডব: মৃতের সংখ্যা ৬১৬, নিখোঁজ আড়াই হাজার আদালতের রায় লেখায় এআই ব্যবহারের সুযোগ নেই: প্রধান বিচারপতি চুয়াডাঙ্গায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘট শুরু দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমল রৌপ্যের দরও লাউয়াছড়ায় ছাড়া ৯ লজ্জাবতী বানরের ৭টিই মৃত, গবেষণায় উদ্বেগজনক চিত্র সপ্তাহের শুরুতেই দেশের বাজারে কমলো সোনার দাম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪০ কিমি যানজট, অ্যাম্বুলেন্সেই রোগীর মৃত্যু এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণ: ১৩ লাখ খাতা যাচাইয়ের চ্যালেঞ্জ শিক্ষা বোর্ডের

ফাইনালের পথে চার পরাশক্তি: কার সামর্থ্য কতটুকু?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনাকর পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে টুর্নামেন্টটি। শিরোপার স্বপ্নের পথে সেমিফাইনালে লড়ছে বিশ্ব ফুটবলের চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, স্পেন, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগামী বুধবার আটলান্টায় ফাইনালের টিকিট কাটার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ফুটবল বিশ্লেষকদের এখন মূল প্রশ্ন হলো, সেমিফাইনাল থেকে উত্তীর্ণ দলটি কি ফ্রান্স বা স্পেনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে রুখে দেওয়ার মতো সামর্থ্য রাখে?

টুর্নামেন্টের ফেভারিট হিসেবে সবার উপরে রয়েছে দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স। ছয় ম্যাচে ছয় জয়, ১৬ গোল স্কোর এবং মাত্র দুটি গোল হজম করা ফ্রান্স এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল। কিলিয়ান এমবাপ্পে ৮টি ও ওসমান দেম্বেলে ৫টি গোল করে আক্রমণভাগকে বিধ্বংসী করে তুলেছেন, আর মাঝমাঠে ৫টি অ্যাসিস্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন মাইকেল ওলিসে। অন্যদিকে, স্পেনের মূল শক্তি তাদের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা। পুরো টুর্নামেন্টে তারা মাত্র একটি গোল হজম করেছে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে মিকেল মেরিনো ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হলেও, ব্যক্তিগত উজ্জ্বলতার চেয়ে দলীয় সংহতি ও কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্বই স্পেনকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে। যদিও লামিনে ইয়ামাল তার সেরা ফর্মের ঝলক দেখাচ্ছেন, তবে এখনো বড় কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট নেই তার নামের পাশে।

অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের মূল ভরসা জুড বেলিংহামের একক নৈপুণ্য। টমাস টুখেলের শিষ্যরা চোখধাঁধানো ফুটবল না খেললেও ম্যাচ জেতার মানসিকতায় অটল। কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে বেলিংহামের জোড়া গোলই তাদের সেমিফাইনালে তুলেছে। হ্যারি কেইন ও বেলিংহামের ফর্ম তাদের প্রধান অস্ত্র হলেও, অতিরিক্ত একক নির্ভরতা তাদের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার পথটি ছিল কাঁটাঝোপে ভরা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়, মিসরের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ফেরা এবং সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয়—প্রতিটি ম্যাচেই তারা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। লিওনেল মেসির ওপর একক নির্ভরতা কমে আসায় দল হিসেবে তারা অনেক বেশি পরিণত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এখনো তাদের সেরা ফুটবল দেখাতে পারেনি, তবে বড় টুর্নামেন্ট জেতার জন্য যে লড়াকু মনোভাব প্রয়োজন, তা তাদের আছে। সেমিফাইনালের লড়াইটি স্পেন ও ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ফুটবলীয় সৌন্দর্যের লড়াই হলেও, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াইটি হবে টিকে থাকার তীব্র যুদ্ধ। আটলান্টার সেমিফাইনাল থেকে যে দলই ফাইনালে উঠবে, নকআউটের কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে তারা এতটাই পরিণত হবে যে ফ্রান্স বা স্পেনের মতো প্রতিপক্ষকেও স্তব্ধ করার সক্ষমতা নিয়েই তারা ফাইনালে মাঠে নামবে।

১৯৬২ সালের পর কোনো দলের পক্ষে বিশ্বকাপ ধরে রাখা কেন এত কঠিন, তা এবার হাড়েমাজ্জায় টের পাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই তাদের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়, মিসরের বিপক্ষে শেষ ১১ মিনিটে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন, আর সুইজারল্যান্ডের ব

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ে আরো একবার স্পেনের ত্রাতা হিসেবে হাজির হলেন মিকেল মেরিনো। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত স্পেন মাত্র ১টি গোল হজম করেছে, যা তাদের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তার প্রমাণ দেয়। লামিনে ইয়ামাল তার সেরা ফর্মের ঝলক দেখালেও টুর্নামেন্টে এখনো বড় কোনো অবদান (গোল বা অ্যাসিস্ট) রাখতে পারেননি। তবে ব্যক্

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফাইনালের পথে চার পরাশক্তি: কার সামর্থ্য কতটুকু?

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনাকর পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে টুর্নামেন্টটি। শিরোপার স্বপ্নের পথে সেমিফাইনালে লড়ছে বিশ্ব ফুটবলের চার পরাশক্তি—ফ্রান্স, স্পেন, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগামী বুধবার আটলান্টায় ফাইনালের টিকিট কাটার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা। ফুটবল বিশ্লেষকদের এখন মূল প্রশ্ন হলো, সেমিফাইনাল থেকে উত্তীর্ণ দলটি কি ফ্রান্স বা স্পেনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে রুখে দেওয়ার মতো সামর্থ্য রাখে?

টুর্নামেন্টের ফেভারিট হিসেবে সবার উপরে রয়েছে দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স। ছয় ম্যাচে ছয় জয়, ১৬ গোল স্কোর এবং মাত্র দুটি গোল হজম করা ফ্রান্স এই মুহূর্তে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দল। কিলিয়ান এমবাপ্পে ৮টি ও ওসমান দেম্বেলে ৫টি গোল করে আক্রমণভাগকে বিধ্বংসী করে তুলেছেন, আর মাঝমাঠে ৫টি অ্যাসিস্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন মাইকেল ওলিসে। অন্যদিকে, স্পেনের মূল শক্তি তাদের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা। পুরো টুর্নামেন্টে তারা মাত্র একটি গোল হজম করেছে। বেলজিয়ামের বিপক্ষে নাটকীয় জয়ে মিকেল মেরিনো ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হলেও, ব্যক্তিগত উজ্জ্বলতার চেয়ে দলীয় সংহতি ও কৌশলগত শ্রেষ্ঠত্বই স্পেনকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে। যদিও লামিনে ইয়ামাল তার সেরা ফর্মের ঝলক দেখাচ্ছেন, তবে এখনো বড় কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট নেই তার নামের পাশে।

অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের মূল ভরসা জুড বেলিংহামের একক নৈপুণ্য। টমাস টুখেলের শিষ্যরা চোখধাঁধানো ফুটবল না খেললেও ম্যাচ জেতার মানসিকতায় অটল। কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়ের বিপক্ষে বেলিংহামের জোড়া গোলই তাদের সেমিফাইনালে তুলেছে। হ্যারি কেইন ও বেলিংহামের ফর্ম তাদের প্রধান অস্ত্র হলেও, অতিরিক্ত একক নির্ভরতা তাদের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার পথটি ছিল কাঁটাঝোপে ভরা। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়, মিসরের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়ে ফেরা এবং সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয়—প্রতিটি ম্যাচেই তারা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। লিওনেল মেসির ওপর একক নির্ভরতা কমে আসায় দল হিসেবে তারা অনেক বেশি পরিণত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এখনো তাদের সেরা ফুটবল দেখাতে পারেনি, তবে বড় টুর্নামেন্ট জেতার জন্য যে লড়াকু মনোভাব প্রয়োজন, তা তাদের আছে। সেমিফাইনালের লড়াইটি স্পেন ও ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ফুটবলীয় সৌন্দর্যের লড়াই হলেও, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার লড়াইটি হবে টিকে থাকার তীব্র যুদ্ধ। আটলান্টার সেমিফাইনাল থেকে যে দলই ফাইনালে উঠবে, নকআউটের কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে তারা এতটাই পরিণত হবে যে ফ্রান্স বা স্পেনের মতো প্রতিপক্ষকেও স্তব্ধ করার সক্ষমতা নিয়েই তারা ফাইনালে মাঠে নামবে।

১৯৬২ সালের পর কোনো দলের পক্ষে বিশ্বকাপ ধরে রাখা কেন এত কঠিন, তা এবার হাড়েমাজ্জায় টের পাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই তাদের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। কেপ ভার্দের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়, মিসরের বিপক্ষে শেষ ১১ মিনিটে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন, আর সুইজারল্যান্ডের ব

বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ে আরো একবার স্পেনের ত্রাতা হিসেবে হাজির হলেন মিকেল মেরিনো। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত স্পেন মাত্র ১টি গোল হজম করেছে, যা তাদের রক্ষণভাগের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তার প্রমাণ দেয়। লামিনে ইয়ামাল তার সেরা ফর্মের ঝলক দেখালেও টুর্নামেন্টে এখনো বড় কোনো অবদান (গোল বা অ্যাসিস্ট) রাখতে পারেননি। তবে ব্যক্

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh