ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের সাংবাদিক সাজেদা হকের মামলায় মিরাজ-কুসুমের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আদেশ রাড্ডাকাণ্ডে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে ভোট ১২ নভেম্বর সৌদি-হুথি সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার প্রস্তাব ইরানের সৌদি আরবে ফ্লাইট বিপর্যয়: ৫১টি ফ্লাইট বাতিল ও ৫ হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পুরান ঢাকার মনজুর খান প্লাজায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনে বাংলাদেশকে ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে দেখছে ইইউ অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’

যুবলীগের ‘কাল্পনিক’ লকডাউন কর্মসূচিতে বিপাকে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথাকথিত ও ‘কাল্পনিক’ ঢাকা লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চরম বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকরা। বাস্তবসম্মত নেতৃত্ব ও সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কাঠামোর অনুপস্থিতিতে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এই কর্মসূচির কারণে তারা মারাত্মক জীবন ও আইনি ঝুঁকিতে পড়েছেন। গতকাল রবিবার দিনভর ঢাকার সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, কর্মসূচির নামে গত কয়েক দিনে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যমান কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্ব বা কেন্দ্রীয় কোনো নেতার সরাসরি উপস্থিতি ছাড়া সাইবার দুনিয়ায় ঘোষিত এ ধরনের হঠকারী কর্মসূচি মাঠের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পরিবর্তে অবশিষ্ট কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদী বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অনেক কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজবে কান দিয়ে রাস্তায় নেমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার কিংবা স্থানীয় জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন। কোনো কোনো স্থানে তারা সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের পিটুনির শিকারও হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মী জানান, কেন্দ্রীয় নেতাদের অদৃশ্য ইশারায় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তারা এখন পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুগছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, এই লকডাউন কর্মসূচি ও এর আগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রায় ২০০ নেতাকর্মীকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোল্লা মো. শাহীন জানান, ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বংশাল থানা আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ডের দফতর সম্পাদক রায়হান উদ্দীন রয়েছেন, যার কক্ষ থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। শীর্ষ নেতাদের ইন্ধনেই জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে এসব করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানায়।

লকডাউন কর্মসূচির মধ্যেই রাজধানীতে হাইকোর্ট ও শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি শেখ জাহিদুল ইসলাম। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহবাগে তিন নেতার মাজারের পাশে এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের একটি নির্জন অংশে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এছাড়া শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। একই দিন সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাস, মধ্যবাড্ডায় একটি বাস এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে একটি জব্দ করা পিকআপে আগুন দেওয়া হয়। গত শুক্রবারও মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, মগবাজার, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও নিউমার্কেটসহ অন্তত ৯টি এলাকায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

এদিকে যুবলীগের এই কর্মসূচি প্রতিহত করতে গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কড়া অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বিভিন্ন মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। অন্যদিকে, লকডাউন কর্মসূচির প্রতিবাদে রাজপথে শক্ত অবস্থান নেয় বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। সকাল থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার রাতে শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি মিছিল ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া মহাখালী এলাকায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন যৌথভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর যুবলীগের পক্ষ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় দিনব্যাপী ‘লকডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যাতে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগও একাত্মতা প্রকাশ করে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, মামলা এবং আদালতের বিভিন্ন রায়ের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ডাকা হয়েছিল। এর আগে ১৬ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করে সংগঠনটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবলীগের ‘কাল্পনিক’ লকডাউন কর্মসূচিতে বিপাকে মাঠপর্যায়ের কর্মীরা

আপডেট সময় : ১০:০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথাকথিত ও ‘কাল্পনিক’ ঢাকা লকডাউন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে চরম বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগের মাঠপর্যায়ের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকরা। বাস্তবসম্মত নেতৃত্ব ও সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কাঠামোর অনুপস্থিতিতে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এই কর্মসূচির কারণে তারা মারাত্মক জীবন ও আইনি ঝুঁকিতে পড়েছেন। গতকাল রবিবার দিনভর ঢাকার সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও, কর্মসূচির নামে গত কয়েক দিনে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দৃশ্যমান কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্ব বা কেন্দ্রীয় কোনো নেতার সরাসরি উপস্থিতি ছাড়া সাইবার দুনিয়ায় ঘোষিত এ ধরনের হঠকারী কর্মসূচি মাঠের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের পরিবর্তে অবশিষ্ট কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদী বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অনেক কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজবে কান দিয়ে রাস্তায় নেমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার কিংবা স্থানীয় জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন। কোনো কোনো স্থানে তারা সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের পিটুনির শিকারও হয়েছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মী জানান, কেন্দ্রীয় নেতাদের অদৃশ্য ইশারায় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তারা এখন পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুগছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, এই লকডাউন কর্মসূচি ও এর আগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিনে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের প্রায় ২০০ নেতাকর্মীকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোল্লা মো. শাহীন জানান, ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বংশাল থানা আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ডের দফতর সম্পাদক রায়হান উদ্দীন রয়েছেন, যার কক্ষ থেকে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। শীর্ষ নেতাদের ইন্ধনেই জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে এসব করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানায়।

লকডাউন কর্মসূচির মধ্যেই রাজধানীতে হাইকোর্ট ও শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি শেখ জাহিদুল ইসলাম। এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহবাগে তিন নেতার মাজারের পাশে এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের একটি নির্জন অংশে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এছাড়া শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন। একই দিন সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাস, মধ্যবাড্ডায় একটি বাস এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে একটি জব্দ করা পিকআপে আগুন দেওয়া হয়। গত শুক্রবারও মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, মগবাজার, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও নিউমার্কেটসহ অন্তত ৯টি এলাকায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

এদিকে যুবলীগের এই কর্মসূচি প্রতিহত করতে গতকাল সকাল থেকেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কড়া অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বিভিন্ন মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। অন্যদিকে, লকডাউন কর্মসূচির প্রতিবাদে রাজপথে শক্ত অবস্থান নেয় বিএনপি ও তার অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। সকাল থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও স্লোগান দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার রাতে শতাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি মিছিল ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এছাড়া মহাখালী এলাকায় বিএনপির তিন অঙ্গসংগঠন যৌথভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর যুবলীগের পক্ষ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় দিনব্যাপী ‘লকডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যাতে পরবর্তীতে আওয়ামী লীগও একাত্মতা প্রকাশ করে। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, মামলা এবং আদালতের বিভিন্ন রায়ের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি ডাকা হয়েছিল। এর আগে ১৬ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করে সংগঠনটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin