ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘের মঞ্চে ট্রাম্পের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ওমান উপকূলে মিসাইল হামলার কবলে বাংলাদেশি নাবিকদের জাহাজ ইবির সাদ্দাম হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু হলেন সিভিল জজ যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

আবদুস সালামের মতো সাহসী সাংবাদিকতা প্রয়োজন: রুহুল কবির রিজভী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পিআইবি’র প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক এবং পাকিস্তান অবজারভার ও বাংলাদেশ অবজারভারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সাংবাদিক আবদুস সালামের ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সময়ে আবদুস সালামের মতো সাহসী, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকের বড়ই প্রয়োজন। ক্ষমতাসীনদের অনুগত না থেকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানান তিনি। রিজভী বলেন, সাংবাদিক আবদুস সালামের জীবন ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি তার কর্মজীবনের শুরুর দিকে অত্যন্ত লাভজনক সরকারি চাকরি ছেড়ে সাংবাদিকতাকে বেছে নিয়েছিলেন।

রিজভী আরও উল্লেখ করেন যে, খুশবন্ত সিংয়ের উপন্যাসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি মনে করেন, স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা শিক্ষিত মানুষদের জন্যই স্বাধীনতা। আবদুস সালাম তার পুরো জীবন স্বাধীনতার লড়াইয়ে উৎসর্গ করেছিলেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সালামের জীবনের মিল তুলে ধরে তিনি বলেন, দুজনেই কর্তৃত্ববাদী ও কায়েমি স্বার্থের বিরুদ্ধে লেখনীর মাধ্যমে লড়াই করেছেন এবং নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারের সমালোচনা গ্রহণ করার উদারতা থাকা উচিত। তিনি জানান, গত ১৮০ দিনে সরকারের বিরুদ্ধে ১৮০টি বড় ধরনের অপতথ্য প্রচার করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ ছিল প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, গত ১৭ বছরে সাংবাদিকতায় অবক্ষয় দেখা দিয়েছে, যেখানে অনেকেই নিজের দায়িত্ব ও সম্মান হারিয়েছেন। তবে কিছু সাংবাদিক জাতির প্রয়োজনে এখনো রুখে দাঁড়াচ্ছেন। সিপিডি’র ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আবদুস সালামের অদৃশ্য অবদান মনে রেখে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।

দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বলেন, আবদুস সালামের সাংবাদিকতার আদর্শের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী তরুণ প্রজন্মকে আবদুস সালামের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। এছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া তোপখানা রোডের নাম সাংবাদিক আবদুস সালামের নামে নামকরণের প্রস্তাব করেন। অনুষ্ঠানে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আবদুল হাই সিদ্দিকসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

আবদুস সালামের মতো সাহসী সাংবাদিকতা প্রয়োজন: রুহুল কবির রিজভী

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

পিআইবি’র প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক এবং পাকিস্তান অবজারভার ও বাংলাদেশ অবজারভারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক সাংবাদিক আবদুস সালামের ১১৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বর্তমান সময়ে আবদুস সালামের মতো সাহসী, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকের বড়ই প্রয়োজন। ক্ষমতাসীনদের অনুগত না থেকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষার আহ্বান জানান তিনি। রিজভী বলেন, সাংবাদিক আবদুস সালামের জীবন ও সংগ্রাম নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি তার কর্মজীবনের শুরুর দিকে অত্যন্ত লাভজনক সরকারি চাকরি ছেড়ে সাংবাদিকতাকে বেছে নিয়েছিলেন।

রিজভী আরও উল্লেখ করেন যে, খুশবন্ত সিংয়ের উপন্যাসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি মনে করেন, স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা শিক্ষিত মানুষদের জন্যই স্বাধীনতা। আবদুস সালাম তার পুরো জীবন স্বাধীনতার লড়াইয়ে উৎসর্গ করেছিলেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে সালামের জীবনের মিল তুলে ধরে তিনি বলেন, দুজনেই কর্তৃত্ববাদী ও কায়েমি স্বার্থের বিরুদ্ধে লেখনীর মাধ্যমে লড়াই করেছেন এবং নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারের সমালোচনা গ্রহণ করার উদারতা থাকা উচিত। তিনি জানান, গত ১৮০ দিনে সরকারের বিরুদ্ধে ১৮০টি বড় ধরনের অপতথ্য প্রচার করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ ছিল প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, গত ১৭ বছরে সাংবাদিকতায় অবক্ষয় দেখা দিয়েছে, যেখানে অনেকেই নিজের দায়িত্ব ও সম্মান হারিয়েছেন। তবে কিছু সাংবাদিক জাতির প্রয়োজনে এখনো রুখে দাঁড়াচ্ছেন। সিপিডি’র ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আবদুস সালামের অদৃশ্য অবদান মনে রেখে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।

দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বলেন, আবদুস সালামের সাংবাদিকতার আদর্শের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী তরুণ প্রজন্মকে আবদুস সালামের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। এছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া তোপখানা রোডের নাম সাংবাদিক আবদুস সালামের নামে নামকরণের প্রস্তাব করেন। অনুষ্ঠানে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. আবদুল হাই সিদ্দিকসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin