ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ষড়ঋতুর সৌন্দর্য ও দেশপ্রেমের মেলবন্ধন: এক অনন্য বাংলাদেশ জয় বাংলা স্লোগান: শোকজ পেলেন সিরাজগঞ্জের বিএনপি নেতা মিন্টু শেখ নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৩৮৯, নিখোঁজ ৯ শতাধিক মানুষ ফেনীতে খুঁটিতে বেঁধে গৃহবধূ ও যুবদল নেতাকে নির্যাতন, আটক ৩ লর্ডস টেস্টে স্মিথ-কক্সের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত দুই সন্তানের জননী আঁখির বাঁচতে প্রয়োজন সহায়তা অপপ্রচার রোধে মাঠে থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় চাঁদাবাজি ও সরকারি কাজে বাধার মামলায় ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ প্রথম দিনেই শত কোটি আয় ছাড়াল যশের ‘টক্সিক’

মন্ত্রিসভার কলেবর ৫১ জনে উন্নীত: দপ্তর বণ্টনে অসামঞ্জস্য নিয়ে আলোচনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার কলেবর বেড়ে বর্তমানে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া এ মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৬ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। এর আগে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৮ জন, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বাদে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ এবং দপ্তর বণ্টনের বর্তমান চিত্র নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ভারসাম্যের প্রশ্ন উঠেছে।

নতুন করে পাঁচজন সদস্য যুক্ত হওয়া এবং একজন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার পর মন্ত্রিসভার এই নতুন আকার নির্ধারিত হয়েছে। এই কাঠামোর বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজন বিশেষ সহকারী রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।

বর্তমান দপ্তর বণ্টনে দেখা যায়, কিছু মন্ত্রণালয়ে কাজের পরিধি তুলনামূলক কম হওয়া সত্ত্বেও সেখানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার উপস্থিতি রয়েছে। বিপরীতে অনেক ক্ষেত্রে একজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য—এই তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। একইভাবে শেখ রবিউল আলম সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। আবার কিছু মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদ থাকলেও উপদেষ্টা নেই, আবার কোথাও মন্ত্রী একাই দায়িত্ব পালন করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে দুজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়ে বিশেষ আলোচনা চলছে। এতদিন এই মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে হুমায়ুন কবির দায়িত্ব পালন করলেও তাকে সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই মন্ত্রণালয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী থাকলেও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। এছাড়া অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এই দুই মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। জাহেদ উর রহমান সংস্কৃতি ছাড়াও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি-বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বেও রয়েছেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন দায়িত্ব পালন করছেন। মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বেও যুক্ত। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একাই সামলাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

শিল্প মন্ত্রণালয়ে কোনো প্রতিমন্ত্রী না থাকলেও উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন মো. রুহুল কবির রিজভী। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এবং নৌ পরিবহন ও সেতু বিভাগে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন এবং প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; কৃষি উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশেষ সহকারী আছেন।.ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।

তখন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্ত্রিসভার কলেবর ৫১ জনে উন্নীত: দপ্তর বণ্টনে অসামঞ্জস্য নিয়ে আলোচনা

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার কলেবর বেড়ে বর্তমানে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া এ মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৬ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। এর আগে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৮ জন, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বাদে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ এবং দপ্তর বণ্টনের বর্তমান চিত্র নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ভারসাম্যের প্রশ্ন উঠেছে।

নতুন করে পাঁচজন সদস্য যুক্ত হওয়া এবং একজন প্রতিমন্ত্রীকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার পর মন্ত্রিসভার এই নতুন আকার নির্ধারিত হয়েছে। এই কাঠামোর বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজন বিশেষ সহকারী রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন।

বর্তমান দপ্তর বণ্টনে দেখা যায়, কিছু মন্ত্রণালয়ে কাজের পরিধি তুলনামূলক কম হওয়া সত্ত্বেও সেখানে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার উপস্থিতি রয়েছে। বিপরীতে অনেক ক্ষেত্রে একজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য—এই তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। একইভাবে শেখ রবিউল আলম সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। আবার কিছু মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদ থাকলেও উপদেষ্টা নেই, আবার কোথাও মন্ত্রী একাই দায়িত্ব পালন করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে দুজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন, যা নিয়ে বিশেষ আলোচনা চলছে। এতদিন এই মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে হুমায়ুন কবির দায়িত্ব পালন করলেও তাকে সম্প্রতি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই মন্ত্রণালয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী থাকলেও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। এছাড়া অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এই দুই মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। জাহেদ উর রহমান সংস্কৃতি ছাড়াও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি-বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বেও রয়েছেন।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন দায়িত্ব পালন করছেন। মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বেও যুক্ত। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এছাড়া পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একাই সামলাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

শিল্প মন্ত্রণালয়ে কোনো প্রতিমন্ত্রী না থাকলেও উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন মো. রুহুল কবির রিজভী। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এবং নৌ পরিবহন ও সেতু বিভাগে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন এবং প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এবং প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; কৃষি উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশেষ সহকারী আছেন।.ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।

তখন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo