ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

জুলাই জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী স্মৃতির অপসারণ: নাহিদ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্নগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টার পর জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে আগে সীমান্ত হত্যার একটি নির্দিষ্ট অংশ ছিল, যা এখন আর নেই। একইভাবে মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিও মুছে ফেলা হয়েছে। তার মতে, জাদুঘরটিতে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামকে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ কায়েমে ভারত জড়িত ছিল এবং সরকার হয়তো ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের খাতিরেই এসব স্মৃতি সরিয়ে নিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতের সাথে সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ, কেবল ভালো বা খারাপের বিষয় নয়।

গণভবন সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই ভবন থেকেই শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী সব সিদ্ধান্ত নিতেন এবং মানুষের অর্থ লুটপাটসহ বিভিন্ন অপকর্মের পরিকল্পনা এখান থেকেই করা হতো। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়ার পর থেকেই তারা সংসদে ও বাইরে জাদুঘরটি খুলে দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর বর্তমান সরকার জাদুঘরের ভেতরে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাদুঘর পরিচালনার ক্ষেত্রে নাহিদ ইসলাম কিছু পরামর্শ ও উদ্বেগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিগুলো আরও বিস্তারিতভাবে টাইমলাইন ধরে তুলে ধরা উচিত, যেখানে বিভিন্ন জেলা, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবদান থাকবে। জাদুঘরে কেবল কেন্দ্রীয় ও পরিচিত মুখগুলোর প্রাধান্য পাওয়ার বিষয়টিও তিনি দায়িত্বরতদের কাছে তুলে ধরেছেন এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ না হওয়ার সমালোচনা করেছেন।

তিনি পুনরায় দাবি জানান যে, এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর হওয়া উচিত। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করেন এমন ব্যক্তিদের দিয়ে এটি পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরটি যেন কোনো দলীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র না হয়ে জাতীয় ইতিহাস চর্চার স্থানে পরিণত হয়, যাতে প্রকৃত সত্য সবাই ধারণ করতে পারে। পরিদর্শনকালে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ২২আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ২৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী স্মৃতির অপসারণ: নাহিদ

আপডেট সময় : ০১:৫১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে সীমান্ত হত্যা এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্নগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টার পর জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে আগে সীমান্ত হত্যার একটি নির্দিষ্ট অংশ ছিল, যা এখন আর নেই। একইভাবে মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিও মুছে ফেলা হয়েছে। তার মতে, জাদুঘরটিতে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামকে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ কায়েমে ভারত জড়িত ছিল এবং সরকার হয়তো ভারতের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের খাতিরেই এসব স্মৃতি সরিয়ে নিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতের সাথে সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদাপূর্ণ, কেবল ভালো বা খারাপের বিষয় নয়।

গণভবন সম্পর্কে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই ভবন থেকেই শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী সব সিদ্ধান্ত নিতেন এবং মানুষের অর্থ লুটপাটসহ বিভিন্ন অপকর্মের পরিকল্পনা এখান থেকেই করা হতো। অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়ার পর থেকেই তারা সংসদে ও বাইরে জাদুঘরটি খুলে দেওয়ার জন্য দাবি জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর বর্তমান সরকার জাদুঘরের ভেতরে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাদুঘর পরিচালনার ক্ষেত্রে নাহিদ ইসলাম কিছু পরামর্শ ও উদ্বেগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিগুলো আরও বিস্তারিতভাবে টাইমলাইন ধরে তুলে ধরা উচিত, যেখানে বিভিন্ন জেলা, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অবদান থাকবে। জাদুঘরে কেবল কেন্দ্রীয় ও পরিচিত মুখগুলোর প্রাধান্য পাওয়ার বিষয়টিও তিনি দায়িত্বরতদের কাছে তুলে ধরেছেন এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ না হওয়ার সমালোচনা করেছেন।

তিনি পুনরায় দাবি জানান যে, এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর হওয়া উচিত। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করেন এমন ব্যক্তিদের দিয়ে এটি পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরটি যেন কোনো দলীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র না হয়ে জাতীয় ইতিহাস চর্চার স্থানে পরিণত হয়, যাতে প্রকৃত সত্য সবাই ধারণ করতে পারে। পরিদর্শনকালে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ২২আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ২৭

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh