ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আপডেট নেই : শামা ওবায়েদ সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নাওয়াজের ইন্তেকাল সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ পাননি বহিষ্কৃত সাংসদ গাজী নজরুল ইসলাম বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলার নিয়মে নতুন নির্দেশনা সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে হল প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে শিক্ষকদের পথ আগলে ধরলেন ছাত্রনেতারা রাজধানীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে পাঁচ শতাধিক আলেমের বিশেষ আলোচনা সভা নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়ায় ইউএনও কার্যালয়ে হামলা: ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী জনরায় উপেক্ষা করে সরকার টিকে থাকতে পারে না: খেলাফত মজলিস ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না, সাফ জানালেন ট্রাম্প

নওগাঁয় ৬টি আসনে মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ৫টি, জামায়েত ১টি আসন

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ৫টি আসনে বিজয়ী অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ১টিতে বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে নির্বাচনি ফলাফল সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী প্রার্থী মোঃ মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট।

নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনে জামায়েত ইসলামী প্রার্থী মো. এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ সামসুজ্জোহা খাঁন ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৩৩টি।

নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. ফজলে হুদা ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট।

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে বিএনপি প্রার্থী ইকরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীক ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী প্রার্থী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট।

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট।

নওগাঁ-৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট।

নওগাঁর ৬টি আসনে গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৮টি ও না ভোট ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫০টি। এর আগে ৬টি আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে ভোট গ্রহণ হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে- জেলার ১১টি উপজেলায় ৬টি আসনে বিভিন্ন দলের ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যেখানে মোট ৭৮২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ ভোট পড়ে।

ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র‍্যাব নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নওগাঁয় ৬টি আসনে মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ৫টি, জামায়েত ১টি আসন

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ৫টি আসনে বিজয়ী অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ১টিতে বিজয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে নির্বাচনি ফলাফল সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী প্রার্থী মোঃ মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট।

নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনে জামায়েত ইসলামী প্রার্থী মো. এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ সামসুজ্জোহা খাঁন ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৩৩টি।

নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. ফজলে হুদা ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট।

নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে বিএনপি প্রার্থী ইকরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীক ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী প্রার্থী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট।

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. জাহিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট।

নওগাঁ-৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক ১ লক্ষ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়েত ইসলামী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট।

নওগাঁর ৬টি আসনে গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৫৮টি ও না ভোট ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫০টি। এর আগে ৬টি আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে ভোট গ্রহণ হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে- জেলার ১১টি উপজেলায় ৬টি আসনে বিভিন্ন দলের ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যেখানে মোট ৭৮২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ ভোট পড়ে।

ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র‍্যাব নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।