ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদীয় কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ পাননি বহিষ্কৃত সাংসদ গাজী নজরুল ইসলাম বিদেশি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাব খোলার নিয়মে নতুন নির্দেশনা সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে হল প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে শিক্ষকদের পথ আগলে ধরলেন ছাত্রনেতারা রাজধানীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে পাঁচ শতাধিক আলেমের বিশেষ আলোচনা সভা নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়ায় ইউএনও কার্যালয়ে হামলা: ২০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী জনরায় উপেক্ষা করে সরকার টিকে থাকতে পারে না: খেলাফত মজলিস ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না, সাফ জানালেন ট্রাম্প জাতীয় সংসদের স্পিকারের আসনের পেছনে বসানো হলো কালেমা তায়্যিবা সাবেক মেয়র লিটনসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাতে ভারত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এবং এই সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের সাধারণ মানুষের কাছেই পৌঁছাবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে সফররত ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সম্মানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জিসহ দুই দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা।

অনুষ্ঠানে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই প্রথম তাঁকে অভিনন্দন ও ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। এরপর ভারতের লোকসভার স্পিকার এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বাংলাদেশ সফর করেছেন। ত্রিবেদী বলেন, ‘এখানকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আমি সরাসরি দিল্লিতে গিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করি। তিনি আমাকে বলেছেন, আমাদের দ্রুত বৈঠক করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে আমি আশ্বস্ত করছি যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফরে আসবেন, তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে স্মরণীয় একটি অভ্যর্থনা জানানো হবে, যা তাঁর প্রাপ্য।’

উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সে সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবার দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং পরদিনই দিল্লিতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ঢাকার বার্তা পৌঁছে দেন। তবে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত নিশ্চয়তা মেলেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামিদের হস্তান্তরসহ কয়েকটি বিষয়ে বাংলাদেশের শর্তের বিষয়টি এখনো সুরাহা না হওয়ায় বাংলাদেশ এখনো এই সফরে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে হাইকমিশনার বলেন, দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো ‘শর্তহীন পারস্পরিক বিশ্বাস’। কিছু ছোটখাটো ভুল-বোঝাবুঝি বা বাধা আসলেও তা সম্পর্ক ছিন্ন করে না। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমস্যা যেগুলো আছে, তা অবশ্যই সমাধান করা সম্ভব। বাংলাদেশের জনগণের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারতের জনগণের নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, দুই দেশের মাঝে কোনো ছোট-বড় ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান এবং ব্যবসায়ীরা এই দূরত্ব মেটাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, এই অঞ্চলে ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হলেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখনো কিছুটা ভারসাম্যহীন এবং প্রকৃত সম্ভাবনার চেয়ে কম। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিজেদের অঞ্চলের চেয়ে দূরের অংশীদারদের সঙ্গে বেশি বাণিজ্য করে। তাই এই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারি বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ দূর করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতের বিজনেস ভিসা প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত বা তাৎক্ষণিক করার অনুরোধ জানান, যাতে বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।

সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বাংলাদেশ সরকারের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করে ব্যবসায়িক সুযোগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিসিআইয়ের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, মেট্রো চেম্বারের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান, অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, এফআইসিসিআইয়ের সভাপতি রূপালী চৌধুরী এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উর রহমান প্রমুখ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

আপডেট সময় : ১১:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাতে ভারত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এবং এই সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের সাধারণ মানুষের কাছেই পৌঁছাবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে সফররত ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সম্মানে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জিসহ দুই দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা।

অনুষ্ঠানে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই প্রথম তাঁকে অভিনন্দন ও ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। এরপর ভারতের লোকসভার স্পিকার এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বাংলাদেশ সফর করেছেন। ত্রিবেদী বলেন, ‘এখানকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আমি সরাসরি দিল্লিতে গিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করি। তিনি আমাকে বলেছেন, আমাদের দ্রুত বৈঠক করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে আমি আশ্বস্ত করছি যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফরে আসবেন, তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে স্মরণীয় একটি অভ্যর্থনা জানানো হবে, যা তাঁর প্রাপ্য।’

উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। সে সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবার দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং পরদিনই দিল্লিতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ঢাকার বার্তা পৌঁছে দেন। তবে তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত নিশ্চয়তা মেলেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামিদের হস্তান্তরসহ কয়েকটি বিষয়ে বাংলাদেশের শর্তের বিষয়টি এখনো সুরাহা না হওয়ায় বাংলাদেশ এখনো এই সফরে চূড়ান্ত সম্মতি দেয়নি।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে হাইকমিশনার বলেন, দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো ‘শর্তহীন পারস্পরিক বিশ্বাস’। কিছু ছোটখাটো ভুল-বোঝাবুঝি বা বাধা আসলেও তা সম্পর্ক ছিন্ন করে না। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমস্যা যেগুলো আছে, তা অবশ্যই সমাধান করা সম্ভব। বাংলাদেশের জনগণের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারতের জনগণের নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।’ তিনি আরও যোগ করেন, দুই দেশের মাঝে কোনো ছোট-বড় ভেদাভেদ নেই, সবাই সমান এবং ব্যবসায়ীরা এই দূরত্ব মেটাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, এই অঞ্চলে ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হলেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখনো কিছুটা ভারসাম্যহীন এবং প্রকৃত সম্ভাবনার চেয়ে কম। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিজেদের অঞ্চলের চেয়ে দূরের অংশীদারদের সঙ্গে বেশি বাণিজ্য করে। তাই এই অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারি বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ দূর করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতের বিজনেস ভিসা প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত বা তাৎক্ষণিক করার অনুরোধ জানান, যাতে বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।

সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি বাংলাদেশ সরকারের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করে ব্যবসায়িক সুযোগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিসিআইয়ের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, মেট্রো চেম্বারের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান, অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, এফআইসিসিআইয়ের সভাপতি রূপালী চৌধুরী এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুব উর রহমান প্রমুখ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo