দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ পণ্ড, সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৮ হাজার
- আপডেট সময় : ০৮:১৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

শনিবার সকাল থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা যন্তর মন্তর অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। শহরের বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং দোকানপাট, রেস্তোরাঁ ও অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। যন্তর মন্তরে বড় জমায়েতের প্রত্যাশা থাকলেও পুলিশের বাধায় হাতেগোনা কয়েকজন বিক্ষোভকারী সেখানে পৌঁছাতে পেরেছেন এবং তাদের দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তার খাতিরে দিনভর হাজার হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকলেও ঘটনাস্থলে তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়ার পথে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া তাদের দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও কর্মীদেরও আটক করা হয়েছে।
পুলিশের ধরপাকড় শহরের অন্যান্য প্রান্তেও ছড়িয়ে পড়েছে। সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে বিমান থেকেই আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। এছাড়া বামপন্থী নেত্রী নেহা বোরাসহ যারা দিল্লি হাট থেকে মিছিল নিয়ে যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তাদেরও পুলিশ আটকে নিয়ে যায়। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে আটকের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি পুলিশ, তবে বিবিসির প্রতিবেদনে এই সংখ্যা আট হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে পুলিশের বাধা এড়িয়ে কনট প্লেসে পৌঁছাতে সক্ষম হওয়া এক নারী আন্দোলনকারী বলেন, গণতন্ত্রে প্রত্যেকেরই বিক্ষোভ করার ও অসন্তোষ প্রকাশের অধিকার রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বহুদিন ধরেই চলে আসছে এবং তারা স্বাধীনতাপূর্ব ভারতের বাসিন্দা নন। তিনি সরকারের কাছে বিক্ষোভের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান।



























