রামপুরায় পিচ্চি আল-আমিনসহ ৫ সহযোগী গ্রেপ্তার, উদ্ধার অস্ত্র
- আপডেট সময় : ০৬:১৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর রামপুরায় পৃথক তিনটি সফল অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মো. আল-আমিন ওরফে পিচ্চি আল-আমিনসহ তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি বিদেশি রিভলবার, ১৪ রাউন্ড গুলি এবং দুটি দেশীয় ছুরি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় অপর এক অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকুসহ এস এম রবীন নামের এক অস্ত্র সরবরাহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। তিনি জানান, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য বাহিনীর মতো এসআরবি ফোর্সেসও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ অভিযানগুলো চালানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে রামপুরা থানার টিভি রোড এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালানো হয়। সেখান থেকে পুলিশের তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ পিচ্চি আল-আমিন এবং তার দুই সহযোগী কামাল উদ্দিন ও খাইরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃত পিচ্চি আল-আমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে রামপুরার কুঞ্জবন এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে পিচ্চি আল-আমিনের আরও দুই সহযোগী মো. সোহাগ হাওলাদার মামুন এবং মো. রিফাত ইসলামকে দুটি দেশীয় লোহার ছুরিসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, পিচ্চি আল-আমিনের আরেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কাওছার খানের কাছে আরও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় কাওছারের অবস্থান শনাক্ত করে গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে কাওছারের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খিলগাঁও থানার ভূঁইয়াপাড়া এলাকায় শফিকের একটি টিনশেড ঘর থেকে ওই দিন রাত সাড়ে ৮টায় একটি বিদেশি রিভলবার, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও ৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া পিচ্চি আল-আমিন গত ১২ জুন রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর সন্ত্রাসী ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে হকাইল্লা পলাশ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, হাতিরঝিল ও গুলশান থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, হত্যা ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধে সর্বমোট ২৭টি মামলা রয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত অন্য সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা পাওয়া যায়নি।
এদিকে, গত ৩ অক্টোবর রাতে এসআরবি-২ এর একটি বিশেষ দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন লাবনী পয়েন্টের একটি বাসায় তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ রাখা মোট ২১৬টি অবৈধ সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ঈগল মডেলের ১৮০টি, চিতা মডেলের ২০টি, মাছরাঙ্গা মডেলের ১২টি এবং কমবোর্ড মডেলের ৪টি চাকু রয়েছে। এই অবৈধ চাকুর মজুদদার ও সরবরাহকারী এস এম রবীনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি-২ এর অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান এবং এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ন্যায় এসআরবি ফোর্সেসও দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এসআরবি এর গুরুত্বপূর্ণ অভিযান চালিয়েছে। তিনি জানান, গত ১লা অক্টোবর দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে ঢাকা মহানগরীর রামপুরা থানাধীন টিভি রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ
গ্রেপ্তারকৃত পিচ্চি আলামিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যা ৬ টার সময় রাজধানীর রামপুরা থানাধীন কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিচ্চি আলামিনের অপর ২ জন সহযোগী মো. সোহাগ হাওলাদার মামুন এবং মো. রিফাত ইসলামকে ০২টি দেশীয় অস্ত্র (লোহার তৈরি ছুরি) সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত পিচ্চি আলামিনকে প্রাথ



























