সাগর-রুনি হত্যা মামলা: প্রতিবেদন জমার তারিখ ১৩০ বার পিছিয়েছে
- আপডেট সময় : ০৪:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পেছানো হয়েছে। এ নিয়ে প্রায় ১৩০ বার প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পেছাল। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত আগামী ৫ নভেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেছেন।
মামলার প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম রাসেল জানিয়েছেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এই আলোচিত মামলায় বর্তমানে আটজন আসামি রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন রুনির বন্ধু তানভীর রহমান এবং বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির। অন্য আসামিরা হলেন—রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের একাধিকবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও কেউ এখন পর্যন্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি করেন। শুরুতে থানার একজন এসআই তদন্ত করলেও চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ডিবি দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটি র্যাবের কাছে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়ে র্যাবকে মামলার তদন্ত থেকে সরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়।



























