ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লঞ্চভাড়া বৃদ্ধি করল সরকার চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১, কারাদণ্ড নড়াইলে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০ অপ্রতিমকে নিয়ে ভিকটিম ব্লেমিংয়ে ক্ষুব্ধ মা, আসামিদের পক্ষে লড়বে না আইনজীবী সমিতি পূর্বাচলে জনপ্রিয় হাঁসের মাংসের দোকানে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা ক্লুলেস ডাকাতির রহস্য উদঘাটন করে শ্রেষ্ঠ ডিবি কর্মকর্তা মফিজুল সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন, ওসির বিরুদ্ধে ক্ষোভ মানবজমিন-এ রিপোর্টার পদে লিখিত পরীক্ষা ২৯ সেপ্টেম্বর বরিশালে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের বিক্ষোভ ভাঙ্গায় ১২০ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপসহ মা-মেয়েসহ তিনজন আটক

সোনারগাঁয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যায় গ্রেপ্তার ২, রহস্য উদঘাটন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব হোসেন (৫০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটনের দাবি করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. শাহিনুর ইসলাম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মানিক মিয়ার ছেলে মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০), যিনি বর্তমানে কাঁচপুর উত্তরপাড়ায় আলতু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন এবং কাঁচপুর উত্তরপাড়ার মৃত ছাহাদ আলীর ছেলে মো. জামির হোসেন (৫৭)।

পুলিশ জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় সোনাপুর জালালাবাদ ঔষধ ফ্যাক্টরির পরিত্যক্ত ভাঙারি গোডাউনের পূর্ব পাশের একটি ডোবা থেকে আইয়ুব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের হাত-পা বাঁধা এবং রক্তাক্ত মরদেহটি একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে ছিল।

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে ওই দিনই সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’ সার্কেলের দিপংকর ঘোষের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ হত্যার রহস্য উন্মোচন করে এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, শাহিন ও জামির হোসেনসহ আরও কয়েকজন মিলে আইয়ুব হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও কিছু টাকা দেওয়ার বিনিময়ে শাহিনকে ব্যবহার করে আইয়ুব হোসেনকে তার নিজের ভাঙারি দোকানে ডেকে আনা হয় এবং সেখানে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারে তাদের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সোনারগাঁয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী হত্যায় গ্রেপ্তার ২, রহস্য উদঘাটন

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব হোসেন (৫০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটনের দাবি করেছে স্থানীয় থানা পুলিশ। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. শাহিনুর ইসলাম আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থানার মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মানিক মিয়ার ছেলে মো. শাহিনুর ইসলাম (৩০), যিনি বর্তমানে কাঁচপুর উত্তরপাড়ায় আলতু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন এবং কাঁচপুর উত্তরপাড়ার মৃত ছাহাদ আলীর ছেলে মো. জামির হোসেন (৫৭)।

পুলিশ জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকায় সোনাপুর জালালাবাদ ঔষধ ফ্যাক্টরির পরিত্যক্ত ভাঙারি গোডাউনের পূর্ব পাশের একটি ডোবা থেকে আইয়ুব হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের হাত-পা বাঁধা এবং রক্তাক্ত মরদেহটি একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতরে ছিল।

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে ওই দিনই সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’ সার্কেলের দিপংকর ঘোষের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ হত্যার রহস্য উন্মোচন করে এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, শাহিন ও জামির হোসেনসহ আরও কয়েকজন মিলে আইয়ুব হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও কিছু টাকা দেওয়ার বিনিময়ে শাহিনকে ব্যবহার করে আইয়ুব হোসেনকে তার নিজের ভাঙারি দোকানে ডেকে আনা হয় এবং সেখানে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারে তাদের অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh