বঙ্গভবনে কাদের সিদ্দিকী ও সাইফুল হকের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- আপডেট সময় : ০৪:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে গতকাল পৃথক পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। প্রেসিডেন্টের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, সাক্ষাতের সময় কাদের সিদ্দিকী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানান। এর জবাবে প্রেসিডেন্ট তাকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেন। এসময় তার সঙ্গে পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী উপস্থিত ছিলেন। সাইফুল হক জাতীয় সংসদে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় নির্বাচিত হয়ে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক, অসামপ্রদায়িক ও বহুত্ববাদী ধারায় দেশকে এগিয়ে নিতে প্রেসিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। প্রেসিডেন্ট এসময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীসহ জনগণের সাহসী ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান তার সাক্ষাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। প্রেসিডেন্ট এসময় শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগসহ সকল ক্ষেত্রে মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি আগামী বছর এপ্রিল মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য উপাচার্য প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন।
এদিকে, ঢাকায় নিযুক্ত ভিয়েতনামের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুই দেশের ব্যবসায়িক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভিয়েতনামের ভিসা ব্যবস্থা সহজীকরণ এবং সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এছাড়া ওষুধ, চামড়া, সিরামিক, বাইসাইকেল ও পাটজাত পণ্যসহ বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট।
সাক্ষাতে প্রেসিডেন্ট ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তার ভিয়েতনাম সফরের স্মৃতিচারণ করেন এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রদূত ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান। বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে তার সফল কর্মকাল ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, তিনি নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন। সাক্ষাতে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




























