ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

ডাকসুর বছরজুড়ে ব্যয় ও কার্যক্রমের খতিয়ান প্রকাশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



এক বছরের দায়িত্বকাল শেষে নিজেদের কার্যক্রম ও জবাবদিহির খতিয়ান প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। আবাসন, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারী শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন খাতে নেয়া উদ্যোগের পাশাপাশি বাস্তবায়ন না হওয়া ও আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তবে পূর্ণাঙ্গ অডিট এখনো প্রকাশ না হওয়ায় বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি।

গতকাল দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম এই খতিয়ান তুলে ধরেন। যদিও সম্পূর্ণ অডিট প্রকাশ করা হয়নি, তবে উপস্থাপিত প্রেজেন্টেশনে বেশ কিছু কাজের খরচের তথ্য দেখা গেছে। এর মধ্যে ছারপোকা দমনে ৩২ লাখ টাকা, শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়নে ৩ কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় মসজিদ সংস্কারে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক জিমনেসিয়াম বানাতে ৬৫ লাখ টাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ হল সংস্কারে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা আদায়ের তথ্য জানানো হয়েছে।

খরচের বিস্তারিত হিসাব সম্পর্কে ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, অডিটের কাজ চলমান রয়েছে এবং খুব দ্রুতই খরচের বিস্তারিত জানানো হবে। সমাজসেবা সম্পাদকের ৩৫ কোটি টাকার কাজের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ডাকসু যে কাজ করেছে তা ৩৫ কোটি টাকার চেয়েও অনেক বেশি, কিন্তু প্রশাসনিক বাধার কারণে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পুরো সময় জুড়ে প্রশাসন অসহযোগিতামূলক আচরণ করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতির বিষয়ে তিনি জানান, প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে একাডেমিক প্রক্রিয়ায় এটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ডাকসু নিজস্ব উদ্যোগে ‘ডিইউ টিচার্স ইভ্যালুয়েশন’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে। এছাড়া দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা কর্মশালা, স্পোকেন ইংলিশ কোর্স এবং পরিবহন খাতে নতুন বাস সার্ভিসসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডাকসু প্রকাশিত ‘খতিয়ান’ বইয়ের একটি বড় অংশে আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর তালিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, সার্টিফিকেশন সহায়তা, ইনোভেশন হাব এবং চাকরি মেলার মতো ছয়টি উদ্যোগ রয়েছে। এছাড়া মাঠ সংস্কার, ডিজিটাল সেবা, হলের খাবারের ভর্তুকি, ক্যান্টিন সংস্কার, পুকুরপাড়ের সৌন্দর্যবর্ধন, ওয়াকওয়ে, আলোকসজ্জা, মোবাইল টয়লেট এবং নতুন যানবাহন সংগ্রহের মতো প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়িত হয়নি। নারী শিক্ষার্থীদের জিমনেসিয়াম চালু এবং খেলার মাঠ সংস্কার নিয়ে বইয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাকসুর বছরজুড়ে ব্যয় ও কার্যক্রমের খতিয়ান প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক বছরের দায়িত্বকাল শেষে নিজেদের কার্যক্রম ও জবাবদিহির খতিয়ান প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। আবাসন, পরিবহন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারী শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাসহ বিভিন্ন খাতে নেয়া উদ্যোগের পাশাপাশি বাস্তবায়ন না হওয়া ও আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। তবে পূর্ণাঙ্গ অডিট এখনো প্রকাশ না হওয়ায় বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি।

গতকাল দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম এই খতিয়ান তুলে ধরেন। যদিও সম্পূর্ণ অডিট প্রকাশ করা হয়নি, তবে উপস্থাপিত প্রেজেন্টেশনে বেশ কিছু কাজের খরচের তথ্য দেখা গেছে। এর মধ্যে ছারপোকা দমনে ৩২ লাখ টাকা, শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের আধুনিকায়নে ৩ কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় মসজিদ সংস্কারে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক জিমনেসিয়াম বানাতে ৬৫ লাখ টাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ হল সংস্কারে ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা আদায়ের তথ্য জানানো হয়েছে।

খরচের বিস্তারিত হিসাব সম্পর্কে ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, অডিটের কাজ চলমান রয়েছে এবং খুব দ্রুতই খরচের বিস্তারিত জানানো হবে। সমাজসেবা সম্পাদকের ৩৫ কোটি টাকার কাজের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ডাকসু যে কাজ করেছে তা ৩৫ কোটি টাকার চেয়েও অনেক বেশি, কিন্তু প্রশাসনিক বাধার কারণে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পুরো সময় জুড়ে প্রশাসন অসহযোগিতামূলক আচরণ করেছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতির বিষয়ে তিনি জানান, প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে একাডেমিক প্রক্রিয়ায় এটি বাস্তবায়িত না হওয়ায় ডাকসু নিজস্ব উদ্যোগে ‘ডিইউ টিচার্স ইভ্যালুয়েশন’ নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে। এছাড়া দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা কর্মশালা, স্পোকেন ইংলিশ কোর্স এবং পরিবহন খাতে নতুন বাস সার্ভিসসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডাকসু প্রকাশিত ‘খতিয়ান’ বইয়ের একটি বড় অংশে আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর তালিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ, সার্টিফিকেশন সহায়তা, ইনোভেশন হাব এবং চাকরি মেলার মতো ছয়টি উদ্যোগ রয়েছে। এছাড়া মাঠ সংস্কার, ডিজিটাল সেবা, হলের খাবারের ভর্তুকি, ক্যান্টিন সংস্কার, পুকুরপাড়ের সৌন্দর্যবর্ধন, ওয়াকওয়ে, আলোকসজ্জা, মোবাইল টয়লেট এবং নতুন যানবাহন সংগ্রহের মতো প্রকল্পগুলোও বাস্তবায়িত হয়নি। নারী শিক্ষার্থীদের জিমনেসিয়াম চালু এবং খেলার মাঠ সংস্কার নিয়ে বইয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin