জার্মান সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে স্পিকারের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- আপডেট সময় : ০৯:০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জার্মানির একটি সংসদীয় প্রতিনিধিদল। বৃহস্পতিবার স্পিকারের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বুন্দেস্ট্যাগ সদস্য মি. নিকলাস কাপে। প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন মি. গেরোল্ড ওটেন, মি. জোহান সাথফ, মিজ উলে শাউস, ড. রুডিগার লোটজ এবং ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দেশ স্বাধীনের শুরু থেকেই জার্মান সরকার বাংলাদেশকে সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তর গন্তব্য হলো জার্মানি।
দেশের গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে স্পিকার বলেন, ১৯৩৭ সাল থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নানা চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার ক্ষুন্ন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হয়েছে এবং গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। স্পিকার এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে তাঁর ভূমিকা অনুসরণীয়। বর্তমান জাতীয় সংসদে জনগণের ভোটে নির্বাচিত ৬ জন নারী এবং ৫০ জন সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন বলে তিনি প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।
বৈঠকে জার্মানি-বাংলাদেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি প্রসারের বিষয়ে মতবিনিময় হয়। এছাড়া বাংলাদেশে চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা করেন তারা। স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের জনগণের বাক স্বাধীনতা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সচেষ্ট রয়েছে। অনুষ্ঠানে জার্মান দূতাবাসের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি বলেন, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তর গন্তব্য হলো জার্মানি। স্পিকার বলেন, ১৯৩৭ সাল থেকে আমাদের দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও গণতান্ত্রিকভাবে আমরা পিছিয়ে ছিলাম। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয় অর্জিত হলেও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র অধরাই রয়ে গিয়েছিল। তিনি


























