জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে নতুন রূপরেখা নিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০৬:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফর করছেন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্বমঞ্চে তার অভিষেক হতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি তার পরিকল্পনার ‘নতুন বাংলাদেশ’র রূপরেখা তুলে ধরবেন। তার নেতৃত্বাধীন এই অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সভাপতিত্ব করবেন।
জিয়া পরিবারের সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের এই অংশগ্রহণকে ঘিরে দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেক। এর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩, ২০০২ ও ২০০৫ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। একই পরিবারের পিতা, মাতা ও সন্তানের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে অংশগ্রহণের এমন নজির বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। এর আগে দক্ষিণ আমেরিকার গায়ানার প্রেসিডেন্ট ডঃ চেদ্দি জাগান ও তার স্ত্রী জ্যানেট জাগান ১৯৯৮ সালে জাতিসংঘে যোগ দিলেও, সে সময় তাদের সন্তানরা রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান ছিলেন না।
১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বসভায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার কন্যা শেখ হাসিনা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যা জিয়া পরিবারের এই অনন্য রেকর্ডের চেয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাদশ বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই সময়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও স্নায়ু যুদ্ধের উত্তেজনার মাঝে তিনি উন্নয়নশীল দেশগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার শাসনামলেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বন্ধু পরিবেষ্টিত মর্যাদা লাভ করে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণার সূচনা হয়। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে যোগদানের মাত্র চার বছরের মাথায় ১৯৭৮ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল, যা সে সময় জাপানের মতো ধনী ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রকে পরাজিত করে অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল।




























