ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ ভারতের হাতে, যেকোনো সময় বন্ধের শঙ্কা: রিজভী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ রয়েছে এবং তারা চাইলেই যেকোনো সময় তা বন্ধ করে দিতে পারে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, যেদিন প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার পরের দিনই প্রচার করা হলো আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে, যার নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতির পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে কি পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয়?

পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে রিজভী উল্লেখ করেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানানো হলেও তাকে বিমসটেকের প্রধান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যা ছিল মূলত সাইডলাইনে বসানোর পরিকল্পনা। তিনি দেশের মর্যাদা রক্ষায় সাইডলাইনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন।

শেখ হাসিনাসহ ১৪০০ ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতনকারী ও হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, অতীতে সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলেও এখন খুনিদের কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়, বরং বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার চেষ্টা করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী হুঁশিয়ারি দেন যে, একটি পক্ষ ১৯৭১ সালের পরাভূত শক্তির প্রতিশোধ নিতে চাইছে। তিনি বলেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণ যেকোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট, ব্যাংক লোপাট ও গুম-হত্যার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। অথচ দেশের বিরোধী দল ও পার্শ্ববর্তী একটি বিশেষ

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ ভারতের হাতে, যেকোনো সময় বন্ধের শঙ্কা: রিজভী

আপডেট সময় : ০৫:৫০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের ঝাড়খণ্ডে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুইচ রয়েছে এবং তারা চাইলেই যেকোনো সময় তা বন্ধ করে দিতে পারে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, যেদিন প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন, তার পরের দিনই প্রচার করা হলো আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিট নষ্ট হয়ে গেছে। এই পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বাংলাদেশে ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে, যার নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতির পেছনের রাজনৈতিক সমীকরণ বুঝতে কি পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন হয়?

পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করে রিজভী উল্লেখ করেন, ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংবর্ধনা জানানো হলেও তাকে বিমসটেকের প্রধান হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যা ছিল মূলত সাইডলাইনে বসানোর পরিকল্পনা। তিনি দেশের মর্যাদা রক্ষায় সাইডলাইনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন।

শেখ হাসিনাসহ ১৪০০ ছাত্র-জনতার ওপর নির্যাতনকারী ও হত্যাকারীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, অতীতে সাবেক এক সেনা কর্মকর্তাকে শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হলেও এখন খুনিদের কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়, বরং বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার চেষ্টা করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শেখ হাসিনার আমলের চেয়ে আড়াই থেকে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী হুঁশিয়ারি দেন যে, একটি পক্ষ ১৯৭১ সালের পরাভূত শক্তির প্রতিশোধ নিতে চাইছে। তিনি বলেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ জনগণ যেকোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করে সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট, ব্যাংক লোপাট ও গুম-হত্যার অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। অথচ দেশের বিরোধী দল ও পার্শ্ববর্তী একটি বিশেষ

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din