ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি বেসিস নির্বাচন সামনে রেখে ৭ সদস্যের সহায়ক কমিটি গঠন স্টারলিংককে টেক্কা দিতে মহাকাশে অ্যামাজনের নতুন দৌড় নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের পর আজমুলের মৃত্যুতে গ্রেফতার ১ বার্লিন বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা ভোলায় এনসিপির কমিটি ঘোষণার পরপরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ এফবিআইয়ের হাজারো কর্মকর্তার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প

ঈশ্বরদীতে ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গুলি করার চেষ্টা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনার ঈশ্বরদীতে ৫ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মহির মন্ডলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। মানিকনগর পাঠশালা মোড় এলাকায় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত চেয়ারম্যানের দাবি, ছুরিকাঘাতের পর তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টাও করা হয়েছিল।

আহত মহির মন্ডল সলিমপুরের ভাড়ইমারী এলাকার মৃত নায়েব আলী মন্ডলের ছেলে। এই হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক মো. রিপন পার্শ্ববর্তী সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়ার সাহাপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

হামলার শিকার ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বুধবার সকালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে মানিকনগর পাঠশালা মোড় এলাকায় যান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ইউপি সদস্য আক্তারুল ইসলাম। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা রিপন হঠাৎ তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান।

মহির মন্ডলের অভিযোগ, রিপন প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন। এরপর নিজের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা চালান। প্রাণ বাঁচাতে মহির মন্ডল দৌড়ে পাশের একটি দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান। তিনি বলেন, সলিমপুরের প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর হামলার সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। তবে এই ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহির মন্ডলের ওপর হামলার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদে একটি গ্রাম্য সালিশ চলাকালে মহির মন্ডল ও এক গ্রাম পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় কয়েকজন যুবকের সাথে অভিযুক্ত রিপনও ওই হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈশ্বরদীতে ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম, গুলি করার চেষ্টা

আপডেট সময় : ১০:৩০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৫ নম্বর সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মহির মন্ডলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। মানিকনগর পাঠশালা মোড় এলাকায় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত চেয়ারম্যানের দাবি, ছুরিকাঘাতের পর তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টাও করা হয়েছিল।

আহত মহির মন্ডল সলিমপুরের ভাড়ইমারী এলাকার মৃত নায়েব আলী মন্ডলের ছেলে। এই হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক মো. রিপন পার্শ্ববর্তী সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়ার সাহাপুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

হামলার শিকার ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বুধবার সকালে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে মানিকনগর পাঠশালা মোড় এলাকায় যান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ইউপি সদস্য আক্তারুল ইসলাম। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা রিপন হঠাৎ তার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান।

মহির মন্ডলের অভিযোগ, রিপন প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন। এরপর নিজের কাছে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করার চেষ্টা চালান। প্রাণ বাঁচাতে মহির মন্ডল দৌড়ে পাশের একটি দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান। তিনি বলেন, সলিমপুরের প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর হামলার সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে। তবে এই ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহির মন্ডলের ওপর হামলার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদে একটি গ্রাম্য সালিশ চলাকালে মহির মন্ডল ও এক গ্রাম পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় কয়েকজন যুবকের সাথে অভিযুক্ত রিপনও ওই হামলায় সরাসরি জড়িত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh