ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক

পাবনায় নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, শোকের ছায়া

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামে নিখোঁজ হওয়ার সাতদিন পর মোছা. কামরুন্নাহার কলি (১০) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত কলি কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ কলির বলে শনাক্ত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় পিতার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে গিয়েছিল কলি। বাজার শেষে পিতার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে যায় সে। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও কলি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে কলির পরিহিত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে কলির পিতা পাবনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শিশুটির সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারও চালানো হয়। কলিকে উদ্ধারের দাবিতে গত মঙ্গলবার তার স্বজন ও সহপাঠীরা পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছিলেন। এর একদিন পরই বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হলো। নিখোঁজের ৭ দিন পর ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরসহ স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

কলির পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার পর তারা পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য ও সম্ভাব্য সূত্র দিয়েছিলেন, কিন্তু সেসব তথ্য যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তাদের ধারণা, স্থানীয় কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে কলির বাবা কামাল প্রামাণিক জানিয়েছেন, এলাকার কারও সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। শেষ পর্যন্ত মেয়েকে এমন অবস্থায় দেখতে হবে তা ভাবিনি। যারা আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

পাবনা সদর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনরা মরদেহটি শনাক্ত করেছেন। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, শোকের ছায়া

আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলোনিয়া গ্রামে নিখোঁজ হওয়ার সাতদিন পর মোছা. কামরুন্নাহার কলি (১০) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি ডোবায় বস্তাবন্দি অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত কলি কুলোনিয়া গ্রামের কামাল প্রামাণিকের মেয়ে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ কলির বলে শনাক্ত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় পিতার সঙ্গে স্থানীয় শ্রীপুর বাজারে গিয়েছিল কলি। বাজার শেষে পিতার সঙ্গে বাড়িতে ফিরে বাজারের ব্যাগ মায়ের হাতে দিয়ে বাড়ির পাশে যায় সে। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও কলি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে কলির পরিহিত স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে কলির পিতা পাবনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শিশুটির সন্ধান চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারও চালানো হয়। কলিকে উদ্ধারের দাবিতে গত মঙ্গলবার তার স্বজন ও সহপাঠীরা পাবনা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছিলেন। এর একদিন পরই বাড়ির পাশের ডোবা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার হলো। নিখোঁজের ৭ দিন পর ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরসহ স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

কলির পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার পর তারা পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য ও সম্ভাব্য সূত্র দিয়েছিলেন, কিন্তু সেসব তথ্য যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তাদের ধারণা, স্থানীয় কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে কলির বাবা কামাল প্রামাণিক জানিয়েছেন, এলাকার কারও সঙ্গে তাদের পূর্ব কোনো বিরোধ ছিল না। তিনি বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। শেষ পর্যন্ত মেয়েকে এমন অবস্থায় দেখতে হবে তা ভাবিনি। যারা আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

পাবনা সদর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্বজনরা মরদেহটি শনাক্ত করেছেন। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin