ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ

পলাতক দণ্ডিতদের খুঁজে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করে। রায়ের পর আমিনুল ইসলাম বলেন, অপরাধ করেছেন বলেই তারা পলাতক রয়েছেন এবং তাদের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা করেই এই বিচার সম্পন্ন হয়েছে। কোনো আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকলে আইন অনুযায়ী তাদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, রায়ের পর থেকে পরবর্তী ৩০ দিন পর্যন্ত আপিলের সুযোগ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব নয়, তবে ৩০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে কোনো আইনি বাধা থাকবে না। আইন অনুযায়ী আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। আজকের রায়ে প্রত্যেক আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই সম্পদ পরবর্তীতে জুলাই ফাউন্ডেশন বা কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে বিক্রি করে বিলি-বণ্টন করা হবে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গত ১৮ আগস্ট রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। এরপর গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য মঙ্গলবারের দিন ধার্য করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

পলাতক দণ্ডিতদের খুঁজে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৪:২৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করে। রায়ের পর আমিনুল ইসলাম বলেন, অপরাধ করেছেন বলেই তারা পলাতক রয়েছেন এবং তাদের আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠা করেই এই বিচার সম্পন্ন হয়েছে। কোনো আসামি ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক থাকলে আইন অনুযায়ী তাদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, রায়ের পর থেকে পরবর্তী ৩০ দিন পর্যন্ত আপিলের সুযোগ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আসামিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব নয়, তবে ৩০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে কোনো আইনি বাধা থাকবে না। আইন অনুযায়ী আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে। আজকের রায়ে প্রত্যেক আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এই সম্পদ পরবর্তীতে জুলাই ফাউন্ডেশন বা কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে বিক্রি করে বিলি-বণ্টন করা হবে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামি হলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। গত ১৮ আগস্ট রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। এরপর গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য মঙ্গলবারের দিন ধার্য করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh