বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধানে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত তিন ঘণ্টাব্যাপী এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা তাদের মতামত তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়, তবে সরকার সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং এখন তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল, যা ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। ইনশাল্লাহ, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৃতীয় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সরকার ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই টার্মিনালটি সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ছাড়া ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।
প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে বলেন, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান অপরিহার্য। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করে সরকারকে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সরকার তার দায়িত্ব পালন করছে। গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে গণমাধ্যম বিভ্রান্তি এড়াতে এবং সঠিক তথ্য দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে পারবে।
সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দল আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও মাহদী আমিন, মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।


























