ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

ইরানের সহায়তায় লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দর দখল হুতিদের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



লোহিত সাগরের তীরবর্তী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা দখল করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সরবরাহ করা অস্ত্র, ড্রোন এবং ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড করপসের (আইআরজিসি) কমান্ডারদের সরাসরি নির্দেশনায় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশ সৌদি আরবের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ হিসেবে তেহরানের মদতে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে রয়টার্সের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে এই আকস্মিক অগ্রগতি ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটিকে লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছে। এই অঞ্চলটি বৈশ্বিক জ্বালানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট বাব আল-মান্দেব প্রণালির অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত। সামরিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইরান হুতিদের সৌদি আরবের ওপর হামলার তীব্রতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল। এর বিনিময়ে তেহরান অতিরিক্ত অর্থ, অস্ত্র এবং জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার আবদোলরেজা শাহলাইয়ের তত্ত্বাবধানে রকেট নিক্ষেপের মাধ্যমে এই অভিযানের সূচনা হয়েছিল।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইয়েমেন বিশ্লেষক আহমেদ নাগি জানিয়েছেন, সরাসরি ইরান থেকে আসা কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে পাওয়া নতুন অস্ত্র, বিশেষ করে ড্রোন এই দ্রুতগতির দখলাভিযানে মূল ভূমিকা পালন করেছে। মোখা বন্দরটি বাব আল-মান্দেব প্রণালি থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হুমকি সৃষ্টিতে হুতিরা এখন আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

বর্তমানে হুতিরা কেবল মোখা দখল করেই থেমে থাকবে নাকি আরও সামনে অগ্রসর হবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তারা বাব আল-মান্দেবে অবস্থিত পেরিম দ্বীপ দখল করে নিতে পারে। এমনটি ঘটলে তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালি ছাড়াও সুয়েজ খাল দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর হুতিদের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ লাভের ঘটনা। এই পরিস্থিতির কারণে ইয়েমেনে ফের বড় ধরনের সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাবে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সহায়তায় লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ মোখা বন্দর দখল হুতিদের

আপডেট সময় : ১০:৫০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লোহিত সাগরের তীরবর্তী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মোখা দখল করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের সরবরাহ করা অস্ত্র, ড্রোন এবং ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড করপসের (আইআরজিসি) কমান্ডারদের সরাসরি নির্দেশনায় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশ সৌদি আরবের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ হিসেবে তেহরানের মদতে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে রয়টার্সের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে।

ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে এই আকস্মিক অগ্রগতি ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটিকে লোহিত সাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশের নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছে। এই অঞ্চলটি বৈশ্বিক জ্বালানি ও সামুদ্রিক বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান রুট বাব আল-মান্দেব প্রণালির অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত। সামরিক সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইরান হুতিদের সৌদি আরবের ওপর হামলার তীব্রতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল। এর বিনিময়ে তেহরান অতিরিক্ত অর্থ, অস্ত্র এবং জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। আইআরজিসির শীর্ষ কমান্ডার আবদোলরেজা শাহলাইয়ের তত্ত্বাবধানে রকেট নিক্ষেপের মাধ্যমে এই অভিযানের সূচনা হয়েছিল।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ইয়েমেন বিশ্লেষক আহমেদ নাগি জানিয়েছেন, সরাসরি ইরান থেকে আসা কিংবা চোরাচালানের মাধ্যমে পাওয়া নতুন অস্ত্র, বিশেষ করে ড্রোন এই দ্রুতগতির দখলাভিযানে মূল ভূমিকা পালন করেছে। মোখা বন্দরটি বাব আল-মান্দেব প্রণালি থেকে মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হুমকি সৃষ্টিতে হুতিরা এখন আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

বর্তমানে হুতিরা কেবল মোখা দখল করেই থেমে থাকবে নাকি আরও সামনে অগ্রসর হবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, তারা বাব আল-মান্দেবে অবস্থিত পেরিম দ্বীপ দখল করে নিতে পারে। এমনটি ঘটলে তারা বাব আল-মান্দেব প্রণালি ছাড়াও সুয়েজ খাল দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠতে পারে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর হুতিদের জন্য এটিই সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ লাভের ঘটনা। এই পরিস্থিতির কারণে ইয়েমেনে ফের বড় ধরনের সংঘাত এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাবে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৮ ডলারে পৌঁছেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin