ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর নতুন নিয়ম, দ্বিতীয়বার হারালে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান নারী রেফারিকে হেনস্তা ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক মন্তব্যে বরখাস্ত হিগুয়েইন খেলাফতের দায়িত্ব পালনে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই: মুহাম্মদ শাহজাহান বিএনপির কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরেছে: শফিকুর রহমান বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যকর ২২ সেপ্টেম্বর দেশের ৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসাবে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লঞ্চভাড়া বৃদ্ধি করল সরকার চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১, কারাদণ্ড নড়াইলে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

কেরানীগঞ্জে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে জকসুর মানববন্ধন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সোমবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেরানীগঞ্জে নির্মিতব্য দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ৭ একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে তারা শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দ্রুত হস্তান্তরের দাবি জানান।

মানববন্ধনে জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফ অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্থায়ী আবাসনের নাম দিয়ে টেন্ডারবাজির পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, পুরান ঢাকার মেসে শিক্ষার্থীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের এই হীন পরিকল্পনা বন্ধ করে দ্রুত ১৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জকসু এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের অন্যতম দাবি ছিল দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেরানীগঞ্জে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসন বাস্তবায়নে কোনো ধরনের তালবাহানা করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

জকসু শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, কাজ বাস্তবায়নের বাজেট চলে এসেছে, তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করতে বাধ্য। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন ব্যর্থ হলে বা তালবাহানা করলে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তারা অধিকার আদায় করে ছাড়বেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল ‘শিক্ষা টেন্ডারবাজি, একসাথে চলে না’, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন’ এবং ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’। এছাড়া বক্তারা ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের হামলার বিচার না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

কেরানীগঞ্জে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসন নিশ্চিতের দাবিতে জকসুর মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সোমবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেরানীগঞ্জে নির্মিতব্য দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ৭ একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে তারা শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দ্রুত হস্তান্তরের দাবি জানান।

মানববন্ধনে জকসু জিএস আব্দুল আলিম আরিফ অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্থায়ী আবাসনের নাম দিয়ে টেন্ডারবাজির পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, পুরান ঢাকার মেসে শিক্ষার্থীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের এই হীন পরিকল্পনা বন্ধ করে দ্রুত ১৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

জকসু এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের অন্যতম দাবি ছিল দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর করা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেরানীগঞ্জে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসন বাস্তবায়নে কোনো ধরনের তালবাহানা করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

জকসু শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল বলেন, কাজ বাস্তবায়নের বাজেট চলে এসেছে, তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করতে বাধ্য। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন ব্যর্থ হলে বা তালবাহানা করলে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তারা অধিকার আদায় করে ছাড়বেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যার মধ্যে ছিল ‘শিক্ষা টেন্ডারবাজি, একসাথে চলে না’, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন’ এবং ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’। এছাড়া বক্তারা ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের হামলার বিচার না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করেন এবং দ্রুত বিচার দাবি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin