ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক: প্রেস কাউন্সিল ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৬৫, মামলা ৭৩ কয়রার যোগাযোগ সংকট কাটাতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেশে ২ কোটি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সিসিটিভিতে ধরা পড়ল প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর দৃশ্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ মনোযোগের রাশ কার হাতে, আপনার নাকি ফোনের স্ক্রিনের? যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর হবে সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড

দেশে চিকিৎসক ঘাটতি ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চলতি ২০২৬ সালে দেশে মোট ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। সেই হিসেবে দেশে বর্তমানে চিকিৎসকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৫৯৮ জনে। সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল তিনটায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদ অনুমোদিত রয়েছে। এর বিপরীতে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন এবং ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয় বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ হাজার জনের বিপরীতে ০.৫০ জন চিকিৎসক হিসেবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের সামগ্রিক চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরতদের সংখ্যা এক নয়।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ পূরণ এবং জনগণের চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসক সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে শূন্য পদ পূরণ ও নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে চিকিৎসক ঘাটতি ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:০৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি ২০২৬ সালে দেশে মোট ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন থাকলেও বর্তমানে কর্মরত রয়েছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। সেই হিসেবে দেশে বর্তমানে চিকিৎসকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৫৯৮ জনে। সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল তিনটায় সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে মোট ৪১ হাজার ৮০৬টি পদ অনুমোদিত রয়েছে। এর বিপরীতে ৩০ হাজার ৩১১ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন এবং ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ বর্তমানে শূন্য রয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয় বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ হাজার জনের বিপরীতে ০.৫০ জন চিকিৎসক হিসেবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, দেশের সামগ্রিক চিকিৎসকের সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরতদের সংখ্যা এক নয়।

সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ পূরণ এবং জনগণের চাহিদা অনুযায়ী চিকিৎসক সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মন্ত্রী জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকারের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে শূন্য পদ পূরণ ও নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের জনগণের জন্য মানসম্মত ও জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin