ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে চোখের চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ, আটক ১

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নোয়াখালী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মো. মোসলিম (১৩) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্যারামেডিকস আবুল হোসেনকে আটক করেছে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরবসু গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির পাশে খেলার সময় হঠাৎ একটি লাঠির টুকরো মোসলিমের বাম চোখে আঘাত করে। এরপর তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে কর্তব্যরত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেসিয়া দেন। এরপরই মোসলিম বমি করতে শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মোসলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন অভিযুক্ত প্যারামেডিকস ও দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন। তিনি দাবি করেন, শিশুটির চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় কেবল লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা থাকে না। আটক আবুল হোসেন নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট হাজী বাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে।

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী জানান, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। বর্তমানে তার মরদেহ মর্গে রাখা আছে এবং বিষয়টি সুধারাম থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি।

সুধারাম থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, নিহতের স্বজনেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। ওসি আরও বলেন, যেহেতু মূল ঘটনাটি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় ঘটেছে, তাই সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নোয়াখালীতে চোখের চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ, আটক ১

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নোয়াখালী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় মো. মোসলিম (১৩) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্যারামেডিকস আবুল হোসেনকে আটক করেছে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরবসু গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির পাশে খেলার সময় হঠাৎ একটি লাঠির টুকরো মোসলিমের বাম চোখে আঘাত করে। এরপর তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে কর্তব্যরত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেসিয়া দেন। এরপরই মোসলিম বমি করতে শুরু করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মোসলিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন অভিযুক্ত প্যারামেডিকস ও দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন। তিনি দাবি করেন, শিশুটির চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় কেবল লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা থাকে না। আটক আবুল হোসেন নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট হাজী বাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে।

নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী জানান, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। বর্তমানে তার মরদেহ মর্গে রাখা আছে এবং বিষয়টি সুধারাম থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কোনো ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়নি।

সুধারাম থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, নিহতের স্বজনেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। ওসি আরও বলেন, যেহেতু মূল ঘটনাটি লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় ঘটেছে, তাই সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh