ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কাটলে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করবে সরকার মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রতি ডেপুটি স্পিকারের আহ্বান আবু ইয়াকুব ইউসুফ আল-কুমি: ইবন আরাবির বর্ণনায় এক সুফি সাধক সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের

জ্বালানি সংকট উত্তরণে নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে বর্তমান সরকার একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ভুল পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল। এর ফলে অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান এবং আমদানি নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন বা ওয়ার্কওভার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৩০টি কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হয়েছে। এছাড়া চলমান ৭টি কূপ খনন শেষ হলে আরও ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া যাবে এবং অবশিষ্ট কূপগুলোর জন্য পর্যায়ক্রমে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার টুডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গ কিলোমিটার থ্রিডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে দুটি নতুন রিগ কেনার প্রক্রিয়া চলমান আছে। অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে এবং অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ এখান থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে। এছাড়াও আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পায়রা, মোংলা বন্দর বা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে আরও নতুন ১-২টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া এই সংসদ অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত ছিল।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা সুলতানার (৩৩৫ মহিলা আসন-৩৫) এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ২ বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি আরো ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ২-১টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন হলে সামগ্রিকভাবে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকট উত্তরণে নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১১:০২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে বর্তমান সরকার একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ভুল পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি খাতকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল। এর ফলে অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান এবং আমদানি নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন বা ওয়ার্কওভার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৩০টি কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হয়েছে। এছাড়া চলমান ৭টি কূপ খনন শেষ হলে আরও ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস পাওয়া যাবে এবং অবশিষ্ট কূপগুলোর জন্য পর্যায়ক্রমে প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার টুডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গ কিলোমিটার থ্রিডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। বাপেক্সকে শক্তিশালী করতে দুটি নতুন রিগ কেনার প্রক্রিয়া চলমান আছে। অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে এবং অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ এখান থেকে গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে। এছাড়াও আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পায়রা, মোংলা বন্দর বা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে আরও নতুন ১-২টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া এই সংসদ অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত ছিল।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা সুলতানার (৩৩৫ মহিলা আসন-৩৫) এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ২ বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি আরো ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ২-১টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন হলে সামগ্রিকভাবে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।’

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din