ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোনারগাঁয়ে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে ট্যাব ও প্রশিক্ষণ শুরু সমাজসেবা অধিদপ্তরের জাতিসংঘে আজ প্রথম ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান না ফেরার দেশে প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন বঙ্গভবনের সিংহ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রেসিডেন্ট বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল, কারণ জানাল রয়টার্স টেকসই উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান ববি হাজ্জাজের স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের

জিবুতির বিস্ময়কর আসাল লেক: আফ্রিকার সর্বনিম্ন লবণাক্ত হ্রদ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত 'আসাল লেক' পৃথিবীর অন্যতম এক বিস্ময়কর স্থান। বাব এল মান্দেব প্রণালির তীরে, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিবুতির রাজধানী থেকে প্রায় ৭০ থেকে ১২০ কিলোমিটার পশ্চিমে এই হ্রদটির অবস্থান। ভৌগোলিক বিচারে এটি আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্থলভূমি, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫৫ মিটার (৫০৯ ফুট) নিচে অবস্থিত।

প্রায় ১০ থেকে ৪০ লাখ বছর আগে পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের আগ্নেয় কর্মকাণ্ড ও উত্থান-পতনের ফলে আসাল হ্রদ বর্তমান রূপ লাভ করে। হ্রদটি আগ্নেয়গিরি ও কালো লাভা ক্ষেত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত। এখানকার পানির লবণাক্ততা সমুদ্রের পানির তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। পানির প্রতি লিটারে লবণের পরিমাণ ৩৫০ গ্রামের বেশি। উজ্জ্বল সাদা লবণের আস্তরণ হ্রদটিকে বালিয়াড়ির মতো রূপ দেয়, যেখানে পানি ও লবণের স্ফটিকের রঙ নীল, সাদা ও সবুজ আলোয় পরিবর্তিত হয়।

আসাল হ্রদের চারপাশের এলাকায় বড় কোনো লোকালয় বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে ওঠেনি, তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে জিবুতি সরকার এখানে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদের ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। হ্রদের উষ্ণ প্রস্রবণের পানির তাপমাত্রা ৩৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়। এই ভূ-তাপীয় শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, যা জিবুতির জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে আবাসিক ও শিল্প এলাকার বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে।

অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে হ্রদের পানি শুকিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে প্রচুর লবণ উৎপাদিত হয়। এই লবণ জিবুতির নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে প্রতি বছর প্রায় ছয় মিলিয়ন টন বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। হ্রদটির গভীরতা খাড়াভাবে ২ হাজার ৫০০ মিটার পর্যন্ত। সর্বশেষ ১৯৭৮ সালে এই অঞ্চলে আগ্নেয় কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৩আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৩০

দেশটির অবস্থান বাব এল মান্দেব প্রণালির তীরে, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে। দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহরের নামও জিবুতি। জিবুতি একসময় ফ্রান্সের উপনিবেশ হিসেবে গণ্য ছিল। ১৯৭৭ সালের ২৭ জুন এটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ‘আসাল হ্রদ’ জিবুতিতে অবস্থিত একটি লবণাক্ত পানির হ্রদ। এটি সমুদ্রসমতলের ১৫৫ মিটার নিচে অবস্থিত এবং আফ্রিকার নিম্নতম বিন্দুতে এর অবস্থান। জিবুতির রাজধানী জিবুতি শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে আফ্রিকার সবচেয়ে শুষ্ক ও উষ্ণ অঞ্চলে ‘আসাল হ্রদ’ অবস্থিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

জিবুতির বিস্ময়কর আসাল লেক: আফ্রিকার সর্বনিম্ন লবণাক্ত হ্রদ

আপডেট সময় : ০৩:৫৫:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি প্রজাতন্ত্রে অবস্থিত 'আসাল লেক' পৃথিবীর অন্যতম এক বিস্ময়কর স্থান। বাব এল মান্দেব প্রণালির তীরে, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিবুতির রাজধানী থেকে প্রায় ৭০ থেকে ১২০ কিলোমিটার পশ্চিমে এই হ্রদটির অবস্থান। ভৌগোলিক বিচারে এটি আফ্রিকার সর্বনিম্ন স্থলভূমি, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫৫ মিটার (৫০৯ ফুট) নিচে অবস্থিত।

প্রায় ১০ থেকে ৪০ লাখ বছর আগে পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের আগ্নেয় কর্মকাণ্ড ও উত্থান-পতনের ফলে আসাল হ্রদ বর্তমান রূপ লাভ করে। হ্রদটি আগ্নেয়গিরি ও কালো লাভা ক্ষেত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত। এখানকার পানির লবণাক্ততা সমুদ্রের পানির তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। পানির প্রতি লিটারে লবণের পরিমাণ ৩৫০ গ্রামের বেশি। উজ্জ্বল সাদা লবণের আস্তরণ হ্রদটিকে বালিয়াড়ির মতো রূপ দেয়, যেখানে পানি ও লবণের স্ফটিকের রঙ নীল, সাদা ও সবুজ আলোয় পরিবর্তিত হয়।

আসাল হ্রদের চারপাশের এলাকায় বড় কোনো লোকালয় বা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে ওঠেনি, তবে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে জিবুতি সরকার এখানে বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদের ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। হ্রদের উষ্ণ প্রস্রবণের পানির তাপমাত্রা ৩৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়। এই ভূ-তাপীয় শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, যা জিবুতির জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে আবাসিক ও শিল্প এলাকার বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে।

অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে হ্রদের পানি শুকিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে প্রচুর লবণ উৎপাদিত হয়। এই লবণ জিবুতির নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে প্রতি বছর প্রায় ছয় মিলিয়ন টন বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। হ্রদটির গভীরতা খাড়াভাবে ২ হাজার ৫০০ মিটার পর্যন্ত। সর্বশেষ ১৯৭৮ সালে এই অঞ্চলে আগ্নেয় কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৩আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৩০

দেশটির অবস্থান বাব এল মান্দেব প্রণালির তীরে, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে। দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহরের নামও জিবুতি। জিবুতি একসময় ফ্রান্সের উপনিবেশ হিসেবে গণ্য ছিল। ১৯৭৭ সালের ২৭ জুন এটি নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ‘আসাল হ্রদ’ জিবুতিতে অবস্থিত একটি লবণাক্ত পানির হ্রদ। এটি সমুদ্রসমতলের ১৫৫ মিটার নিচে অবস্থিত এবং আফ্রিকার নিম্নতম বিন্দুতে এর অবস্থান। জিবুতির রাজধানী জিবুতি শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে আফ্রিকার সবচেয়ে শুষ্ক ও উষ্ণ অঞ্চলে ‘আসাল হ্রদ’ অবস্থিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh