ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর নতুন নিয়ম, দ্বিতীয়বার হারালে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এমপি-মন্ত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান নারী রেফারিকে হেনস্তা ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক মন্তব্যে বরখাস্ত হিগুয়েইন খেলাফতের দায়িত্ব পালনে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই: মুহাম্মদ শাহজাহান বিএনপির কর্মকাণ্ডে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যে ফাটল ধরেছে: শফিকুর রহমান বাসের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যকর ২২ সেপ্টেম্বর দেশের ৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসাবে সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় লঞ্চভাড়া বৃদ্ধি করল সরকার চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১, কারাদণ্ড নড়াইলে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্বে পদত্যাগ মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকলের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের তীব্র উত্তেজনার জেরে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন মার্কিন সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকল। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরেই তাদের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব চলছিল। তবে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ড্রিসকল পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি সম্প্রতি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন। এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল যখন মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও রদবদল নিয়ে প্রশাসনের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ড্রিসকল। বিশেষ করে জেনারেলদের সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে হেগসেথের ভূমিকা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যদিও মার্কিন সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি ড্রিসকলের মেয়াদের প্রশংসা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তিনি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। এর মধ্যে যুদ্ধক্ষমতা জোরদার এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড্রিসকল ব্যয় সাশ্রয়ী অস্ত্র সংগ্রহের ওপর জোর দেন এবং বড় প্রতিরক্ষা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্প তাকে আলোচনার জন্য মনোনীত করলে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তবে এপ্রিল মাসে সেনাপ্রধান জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জকে হেগসেথের বরখাস্তের সিদ্ধান্তের পর তাদের দ্বন্দ্ব নতুন রূপ নেয়। পরবর্তীতে হেগসেথ ইউরোপে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে দেওয়ায় ড্রিসকলের অসন্তোষ আরও বাড়ে। পেন্টাগনের আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর ভেতর ড্রিসকলকে হুমকি মনে করতেন হেগসেথ, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তাকে সরানো কঠিন ছিল। এদিকে, উদ্ভাবনবিষয়ক ডেপুটি আন্ডারসেক্রেটারি ডেভ ফিটজেরাল্ডও পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান প্যাট হ্যারিগান ড্রিসকলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তার কাজের প্রশংসা করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বন্দ্বে পদত্যাগ মার্কিন সেনাসচিব ড্যান ড্রিসকলের

আপডেট সময় : ১০:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দীর্ঘদিনের তীব্র উত্তেজনার জেরে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন মার্কিন সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকল। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত কয়েক মাস ধরেই তাদের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব চলছিল। তবে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ড্রিসকল পেন্টাগনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম, যিনি সম্প্রতি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন। এমন এক সময়ে এই ঘটনা ঘটল যখন মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও রদবদল নিয়ে প্রশাসনের কাছে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ড্রিসকল। বিশেষ করে জেনারেলদের সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে হেগসেথের ভূমিকা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যদিও মার্কিন সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি ড্রিসকলের মেয়াদের প্রশংসা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তিনি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছেন। এর মধ্যে যুদ্ধক্ষমতা জোরদার এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড্রিসকল ব্যয় সাশ্রয়ী অস্ত্র সংগ্রহের ওপর জোর দেন এবং বড় প্রতিরক্ষা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্প তাকে আলোচনার জন্য মনোনীত করলে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। তবে এপ্রিল মাসে সেনাপ্রধান জেনারেল র‌্যান্ডি জর্জকে হেগসেথের বরখাস্তের সিদ্ধান্তের পর তাদের দ্বন্দ্ব নতুন রূপ নেয়। পরবর্তীতে হেগসেথ ইউরোপে মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পদোন্নতি আটকে দেওয়ায় ড্রিসকলের অসন্তোষ আরও বাড়ে। পেন্টাগনের আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর ভেতর ড্রিসকলকে হুমকি মনে করতেন হেগসেথ, তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তাকে সরানো কঠিন ছিল। এদিকে, উদ্ভাবনবিষয়ক ডেপুটি আন্ডারসেক্রেটারি ডেভ ফিটজেরাল্ডও পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান প্যাট হ্যারিগান ড্রিসকলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তার কাজের প্রশংসা করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin