ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও বিদায়

পাকিস্তানের ৪০ শতাংশ শিশু খর্বকায়, অর্থনীতিতে বছরে ১৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মূলত তরুণ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল। অথচ দেশটির পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু খর্বকায় হয়ে বেড়ে উঠছে। এই শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ঘাটতি তাদের কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে ফেলছে। ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব, ঘনঘন সংক্রমণ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই সংকটের মূল কারণ।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, জাতীয় বাজেটে সংকটের সময় শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া সাময়িক সমাধান মনে হলেও এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। শৈশবের বিকাশের এই ক্ষতি প্রাপ্তবয়স্ক জীবনেও থেকে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে তা পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও প্রভাব ফেলে। মা ও শিশুদের অপুষ্টি পাকিস্তানের অন্যতম জরুরি কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত একটি সংকট।

পরিসংখ্যান বলছে, পাকিস্তানে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশুর জন্মের বিপরীতে মাতৃমৃত্যুর হার ১৫৫ জন। অপুষ্টির এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে দেশটির অর্থনীতিতে প্রতি বছর ১৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান ধারা অব্যাহত রেখে পুরো প্রজন্মের সম্ভাবনা নষ্ট করা হবে, নাকি ভিন্ন কোনো পথের সন্ধান করা হবে, তা নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

দেশটির এই পুষ্টি সংকট মোকাবিলায় আয়োজিত সম্মেলনে দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিশুকে খাবার দেওয়ার পদ্ধতি, সরকারি ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন, জলবায়ু ঝুঁকি এবং দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা পুষ্টি সংকটের বিভিন্ন দিক ও এর আন্তঃসম্পর্কিত কারণগুলো চিহ্নিত করে জরুরি কার্যকর সমাধানের পথ খুঁজবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকিস্তানের ৪০ শতাংশ শিশু খর্বকায়, অর্থনীতিতে বছরে ১৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মূলত তরুণ জনগোষ্ঠীর ওপর নির্ভরশীল। অথচ দেশটির পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৪০ শতাংশ শিশু খর্বকায় হয়ে বেড়ে উঠছে। এই শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ঘাটতি তাদের কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে ফেলছে। ডনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব, ঘনঘন সংক্রমণ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই সংকটের মূল কারণ।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, জাতীয় বাজেটে সংকটের সময় শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া সাময়িক সমাধান মনে হলেও এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। শৈশবের বিকাশের এই ক্ষতি প্রাপ্তবয়স্ক জীবনেও থেকে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে তা পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও প্রভাব ফেলে। মা ও শিশুদের অপুষ্টি পাকিস্তানের অন্যতম জরুরি কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত একটি সংকট।

পরিসংখ্যান বলছে, পাকিস্তানে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশুর জন্মের বিপরীতে মাতৃমৃত্যুর হার ১৫৫ জন। অপুষ্টির এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে দেশটির অর্থনীতিতে প্রতি বছর ১৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান ধারা অব্যাহত রেখে পুরো প্রজন্মের সম্ভাবনা নষ্ট করা হবে, নাকি ভিন্ন কোনো পথের সন্ধান করা হবে, তা নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

দেশটির এই পুষ্টি সংকট মোকাবিলায় আয়োজিত সম্মেলনে দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিশুকে খাবার দেওয়ার পদ্ধতি, সরকারি ব্যবস্থাপনা, অর্থায়ন, জলবায়ু ঝুঁকি এবং দীর্ঘদিনের অপর্যাপ্ত বিনিয়োগের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে। সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা পুষ্টি সংকটের বিভিন্ন দিক ও এর আন্তঃসম্পর্কিত কারণগুলো চিহ্নিত করে জরুরি কার্যকর সমাধানের পথ খুঁজবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin