জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরনো ভবন ভেঙে আধুনিক স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত
- আপডেট সময় : ০৯:১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসের সাক্ষী জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পুরনো ভবনটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০০৬ সালে নতুন ভবন নির্মাণের আগ পর্যন্ত এই স্থাপনাটিই ছিল ক্রীড়া প্রশাসনের সকল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। বর্তমানে নতুন ভবন চালু থাকলেও দাবা, তায়কোয়ান্দো ও ভারোত্তোলন ফেডারেশনের কার্যালয়সহ ক্রীড়াঙ্গনের একমাত্র আর্কাইভ 'ক্রীড়াজগৎ' এখনো পুরনো ভবনেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া জিমন্যাস্টিকস ও তায়কোয়ান্দোর অনুশীলন এবং প্রতিযোগিতার জন্য এই ভবনের জিমনেসিয়ামটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আজ বাংলাদেশ তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন আয়োজিত '৫ম ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ান্দো প্রতিযোগিতা'র সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, পাঁচ দশকের পুরনো এই জরাজীর্ণ স্থাপনাটি ভেঙে সেখানে আন্তর্জাতিক মানের ইনডোর সুবিধাসহ একটি আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে দেশি-বিদেশি বেশ কয়েকজন বিনিয়োগকারী এই প্রকল্পটির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী দীর্ঘ সময় ধরে তায়কোয়ান্দো ও জিমন্যাস্টিকস অ্যাথলেটদের তীব্র গরম ও আলোস্বল্পতার মধ্যে অনুশীলনের ভোগান্তির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং তা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তিন দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায় ২৮টি দল ও সংস্থার ৪৫০ জন খেলোয়াড় ৩৪টি ওজন ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। সিনিয়র পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং সিনিয়র নারী বিভাগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিরোপা জয় করে। জুনিয়র পর্যায়ে গাজীপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থা (পুরুষ) ও মিরপুর ডিওএইচএস তায়কোয়ান্দো ক্লাব (নারী) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সভাপতি ও বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা ও টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান শায়রুল কবির খান।



























