ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজায় তিন দিন বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম এসএসসিতে ফেল করলে ১৫ দিনের মধ্যে ফের পরীক্ষার উদ্যোগ ফ্রান্সে শত শত সুপারমার্কেটে সাইবার হামলা, ফ্রিজে আগুন ও খাবার নষ্ট যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় নাহিদের তীব্র নিন্দা লিটনের দুর্দান্ত ক‍্যাচে ভাঙল আফগানিস্তানের প্রতিরোধ জুটি আওয়ামী লীগের সাথে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ নেই: ডা. জাহেদ উর রহমান এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট, নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখছেন বিক্রেতারা প্রবাসীদের সেবায় বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করতে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’ কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু রিয়াদে হুতিদের টানা তৃতীয় দিনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সরকার পরিচালনায় বাড়ছে প্রতিমন্ত্রীদের প্রভাব ও গুরুত্ব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে মন্ত্রিসভার রদবদল ও কাজের মূল্যায়নে সরকারের ভেতরে কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও গুরুত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে উঠে এসেছেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের সময় তিনি জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। ছয় মাস পর তিনি একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেছেন। এই রদবদলের ফলে আগের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নামও উঠে আসছে। গত ১৩ জুন কক্সবাজারে আয়োজিত এক সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাকে সরকারের সবচেয়ে 'পাওয়ারফুল' প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনে তারা এই প্রতিমন্ত্রীর কাছেই যান। এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে কিছুটা অস্বস্তিকর সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ নেতা ড. আব্দুল মঈন খান এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের প্রভাবে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে না।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকেও সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ১ জুন পদত্যাগ করেন তৎকালীন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। যদিও তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়েছিলেন, তবে মূল কারণ ছিল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ। এই বিরোধে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জয়ী হয়েছেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির উপজাতিবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মনীষ দেওয়ান ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগ করতে হয়েছে কারণ তিনি রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনীষ দেওয়ানকে মনোনয়ন দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদার দিপুকে ওই পদে চেয়েছিলেন। মন্ত্রিসভায় রদবদলের পর এখন বান্দরবানের এমপি সাচিং প্রু জেরী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে একই মন্ত্রণালয়ে আগে থেকেই শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কর্মরত আছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকার পরিচালনায় বাড়ছে প্রতিমন্ত্রীদের প্রভাব ও গুরুত্ব

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে মন্ত্রিসভার রদবদল ও কাজের মূল্যায়নে সরকারের ভেতরে কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীর ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও গুরুত্ব স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে উঠে এসেছেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের সময় তিনি জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। ছয় মাস পর তিনি একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেছেন। এই রদবদলের ফলে আগের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রভাবশালী প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের নামও উঠে আসছে। গত ১৩ জুন কক্সবাজারে আয়োজিত এক সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাকে সরকারের সবচেয়ে 'পাওয়ারফুল' প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনে তারা এই প্রতিমন্ত্রীর কাছেই যান। এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী ছিলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে কিছুটা অস্বস্তিকর সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ নেতা ড. আব্দুল মঈন খান এই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের প্রভাবে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে না।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকেও সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ১ জুন পদত্যাগ করেন তৎকালীন মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। যদিও তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়েছিলেন, তবে মূল কারণ ছিল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ। এই বিরোধে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জয়ী হয়েছেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির উপজাতিবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মনীষ দেওয়ান ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগ করতে হয়েছে কারণ তিনি রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনীষ দেওয়ানকে মনোনয়ন দেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জেলা বিএনপির সভাপতি দীপেন তালুকদার দিপুকে ওই পদে চেয়েছিলেন। মন্ত্রিসভায় রদবদলের পর এখন বান্দরবানের এমপি সাচিং প্রু জেরী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে একই মন্ত্রণালয়ে আগে থেকেই শামা ওবায়েদ ইসলাম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কর্মরত আছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh