ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জার্মানিতে কিশোরীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে রোবট ও দুই তরুণ আটক সাতক্ষীরায় হাসপাতালে ঢুকে যুবককে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা শিবগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, ট্রাক আটক উপকূলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে নারী ও যুবদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গুরুত্ব এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে ১৯৫৬ সালের আইনে কঠোর ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী ভৈরবে ১৬ বছরের পুরনো জমি নিয়ে বিরোধ, প্রাণনাশের হুমকি হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২০০ টঙ্গীতে এসেনশিয়াল ড্রাগসের কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২১ ইউনিট ভারতে ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে ট্রাম্পকে ‘স্বামী’ সম্বোধন করে বিব্রত নতুন প্রেস সচিব কেটি জ্যাকারিয়া

ঋণের চাপে সিটি গ্রুপ, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকিং খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিশাল শিল্প সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল দেশের অন্যতম শীর্ষ ভোগ্যপণ্য শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপ। তবে ২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর সেই বিশাল ঋণের বোঝা এবং ইস্পাত, শিপিং, চা ও গণমাধ্যমের মতো নানা খাতে মাত্রাতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত বিনিয়োগ গ্রুপটির জন্য বড় ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে। এছাড়া সামাজিক মাধ্যম ও অনানুষ্ঠানিক বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে বিদেশে টাকা পাচারের গুঞ্জন ও অভিযোগও উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ পর্যন্ত সিটি গ্রুপের দেশি-বিদেশি ৪৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। প্রধান পাওনাদার ব্যাংকগুলোর তালিকায় রয়েছে এইচএসবিসি (প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা), স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড (প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা), সিটি ব্যাংক পিএলসি (১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা), ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক বা ইউসিবি (১ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা), ইস্টার্ন ব্যাংক (১ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা) এবং ব্র্যাক ব্যাংক (প্রায় ৯৮৬ কোটি টাকা)। ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে গ্রুপটি চরম তারল্য সংকটে পড়েছে।

মুন্সীগঞ্জের হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলে গ্রুপটির ছয়টি শিল্প প্রকল্পে প্রায় ১৪,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ অলস পড়ে রয়েছে, অথচ এর বিপরীতে অর্থায়নের খরচ বা সুদ ক্রমাগত জমা হচ্ছে। সিটি গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এই আর্থিক চাপ সামলাতে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে গ্রুপটি। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রস্তুতি হিসেবে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসের সঙ্গে চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। ওয়ান ব্যাংক পিএলসি এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকিং পার্টনার ও ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু হিসেবে কাজ করবে। তবে পুঁজিবাজারে কয়টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট) বিশ্বজিৎ সাহা জানিয়েছেন, ওয়ান ব্যাংক পিএলসিই ঠিক করবে সিটি গ্রুপের কয়টি প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করা যায়। এদিকে গত ১লা জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, তিনি তিনটি লিডিং ব্যাংকের এমডিদের নিয়ে বসে সিটি গ্রুপের ঋণ সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এটিকে অর্থনীতির জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক আইনের মধ্যে থেকে নীতিগত সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করবে। তবে এক ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো কতটুকু ঋণ আদায় করতে পারবে তা নিয়ে তার অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো নয়।

বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে এই টাকা উত্তোলন নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা সিটি গ্রুপের ঋণী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি আ ন ম আতাউল্লাহ নাঈম বলেন, সিটি গ্রুপের মতো বড় কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসা উচিত, কিন্তু গ্রুপটি বর্তমানে রুগ্‌ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবু আহমেদ মনে করেন, বিনিয়োগকারী বা বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ভেবে দেখতে হবে।

১৯৭২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ঢাকার গেণ্ডারিয়ায় ছোট্ট এক সরিষার তেলের মিল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল সিটি গ্রুপ। ভোজ্য তেল, আটা-ময়দা, চিনি, ডাল, চাল, ফিডসহ নানা ভোগ্য ও শিল্প পণ্যের ব্যবসায় যুক্ত এই গ্রুপটি ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের মৃত্যুর পর তার ছেলে ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। ঋণ পরিশোধ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গ্রুপটি হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এবং মালিকানাধীন ১৮ হাজার ৮৭৫ একর আয়তনের ৮টি চা বাগানের আংশিক বিক্রির বিষয়ে আলোচনা করছে।

বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ: প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ভঙ্গুর ঋণ কাঠামোর মধ্যে ১ হাজর ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলনের উদ্যোগ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন ঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ঋণের চাপে সিটি গ্রুপ, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০১:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকিং খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে বিশাল শিল্প সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল দেশের অন্যতম শীর্ষ ভোগ্যপণ্য শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপ। তবে ২০২৪ সালে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর সেই বিশাল ঋণের বোঝা এবং ইস্পাত, শিপিং, চা ও গণমাধ্যমের মতো নানা খাতে মাত্রাতিরিক্ত ও অপরিকল্পিত বিনিয়োগ গ্রুপটির জন্য বড় ফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে। এছাড়া সামাজিক মাধ্যম ও অনানুষ্ঠানিক বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে বিদেশে টাকা পাচারের গুঞ্জন ও অভিযোগও উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।

তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ পর্যন্ত সিটি গ্রুপের দেশি-বিদেশি ৪৭টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। প্রধান পাওনাদার ব্যাংকগুলোর তালিকায় রয়েছে এইচএসবিসি (প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা), স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড (প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা), সিটি ব্যাংক পিএলসি (১ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা), ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক বা ইউসিবি (১ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা), ইস্টার্ন ব্যাংক (১ হাজার ১৫৮ কোটি টাকা) এবং ব্র্যাক ব্যাংক (প্রায় ৯৮৬ কোটি টাকা)। ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পেরে গ্রুপটি চরম তারল্য সংকটে পড়েছে।

মুন্সীগঞ্জের হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলে গ্রুপটির ছয়টি শিল্প প্রকল্পে প্রায় ১৪,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ অলস পড়ে রয়েছে, অথচ এর বিপরীতে অর্থায়নের খরচ বা সুদ ক্রমাগত জমা হচ্ছে। সিটি গ্রুপ সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এই আর্থিক চাপ সামলাতে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে গ্রুপটি। শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির প্রস্তুতি হিসেবে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসের সঙ্গে চুক্তি করেছে কোম্পানিটি। ওয়ান ব্যাংক পিএলসি এই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকিং পার্টনার ও ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু হিসেবে কাজ করবে। তবে পুঁজিবাজারে কয়টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হবে, সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট) বিশ্বজিৎ সাহা জানিয়েছেন, ওয়ান ব্যাংক পিএলসিই ঠিক করবে সিটি গ্রুপের কয়টি প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করা যায়। এদিকে গত ১লা জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানান, তিনি তিনটি লিডিং ব্যাংকের এমডিদের নিয়ে বসে সিটি গ্রুপের ঋণ সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এটিকে অর্থনীতির জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক আইনের মধ্যে থেকে নীতিগত সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করবে। তবে এক ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলো কতটুকু ঋণ আদায় করতে পারবে তা নিয়ে তার অভিজ্ঞতা খুব একটা ভালো নয়।

বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে এই টাকা উত্তোলন নিয়ে নানা প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা সিটি গ্রুপের ঋণী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি আ ন ম আতাউল্লাহ নাঈম বলেন, সিটি গ্রুপের মতো বড় কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসা উচিত, কিন্তু গ্রুপটি বর্তমানে রুগ্‌ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবু আহমেদ মনে করেন, বিনিয়োগকারী বা বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ভেবে দেখতে হবে।

১৯৭২ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ঢাকার গেণ্ডারিয়ায় ছোট্ট এক সরিষার তেলের মিল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল সিটি গ্রুপ। ভোজ্য তেল, আটা-ময়দা, চিনি, ডাল, চাল, ফিডসহ নানা ভোগ্য ও শিল্প পণ্যের ব্যবসায় যুক্ত এই গ্রুপটি ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমানের মৃত্যুর পর তার ছেলে ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। ঋণ পরিশোধ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গ্রুপটি হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চলের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এবং মালিকানাধীন ১৮ হাজার ৮৭৫ একর আয়তনের ৮টি চা বাগানের আংশিক বিক্রির বিষয়ে আলোচনা করছে।

বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ: প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ভঙ্গুর ঋণ কাঠামোর মধ্যে ১ হাজর ৫০০ কোটি টাকা উত্তোলনের উদ্যোগ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন ঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin