ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফরসূচিতে প্রস্তুতি ম্যাচের সময় কমল প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে ১৯৫৬ সালের আইনে কঠোর ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বজুড়ে চলা জ্বালানি সংকটের অজুহাতে এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা ধর্মঘটের মাধ্যমে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে সতর্ক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি স্পষ্ট জানান, বাজারে এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হলে ১৯৫৬ সালের ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন’ প্রয়োগ করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সাথে এক যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে জ্বালানিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠককালে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই হুঁশিয়ারির পটভূমিতে রয়েছে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের ডাক। এলপিজি ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ এবং কমিশন বৃদ্ধিসহ কয়েকটি দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) সারাদেশে দুই দিন এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এলপি গ্যাস ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশন। এই আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

বৈঠক শেষে বিশ্ববাজারের চলমান পরিস্থিতি তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাত এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সব জায়গায় জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত এর দাম ওঠানামা করছে। এই মুহূর্তে কেবল আমেরিকাতেই সরবরাহ উৎস বাকি রয়েছে, এছাড়া অন্য কোথাও স্থায়িত্ব নেই। এই সংকটের মধ্যেও ভোক্তা পর্যায়ে যাতে এলপিজির দাম সহনীয় রাখা যায়, সেই লক্ষ্যেই সরকার ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, একটি জরুরি সেবা নিয়ে কথায় কথায় ধর্মঘট ডেকে পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এটি একটি জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার এবং জনগণের যেন কোনো ভোগান্তি না হয় তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। একই সাথে ধর্মঘটের মতো কঠোর কর্মসূচিতে না গিয়ে আলোচনার টেবিলে বসে সংশ্লিষ্টদের সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে ১৯৫৬ সালের আইনে কঠোর ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বজুড়ে চলা জ্বালানি সংকটের অজুহাতে এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা ধর্মঘটের মাধ্যমে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে সতর্ক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি স্পষ্ট জানান, বাজারে এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা হলে ১৯৫৬ সালের ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন’ প্রয়োগ করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সাথে এক যৌথ সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে জ্বালানিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠককালে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরও উপস্থিত ছিলেন। সরকারের এই হুঁশিয়ারির পটভূমিতে রয়েছে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের ডাক। এলপিজি ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ এবং কমিশন বৃদ্ধিসহ কয়েকটি দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার) সারাদেশে দুই দিন এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এলপি গ্যাস ট্রেডার্স কো-অপারেটিভ অ্যাসোসিয়েশন। এই আইন অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

বৈঠক শেষে বিশ্ববাজারের চলমান পরিস্থিতি তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাত এক মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সব জায়গায় জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত এর দাম ওঠানামা করছে। এই মুহূর্তে কেবল আমেরিকাতেই সরবরাহ উৎস বাকি রয়েছে, এছাড়া অন্য কোথাও স্থায়িত্ব নেই। এই সংকটের মধ্যেও ভোক্তা পর্যায়ে যাতে এলপিজির দাম সহনীয় রাখা যায়, সেই লক্ষ্যেই সরকার ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, একটি জরুরি সেবা নিয়ে কথায় কথায় ধর্মঘট ডেকে পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রয়োগ করতে বাধ্য হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এটি একটি জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার এবং জনগণের যেন কোনো ভোগান্তি না হয় তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। একই সাথে ধর্মঘটের মতো কঠোর কর্মসূচিতে না গিয়ে আলোচনার টেবিলে বসে সংশ্লিষ্টদের সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin