ভারতে ককরোচ পার্টির দুই নেতা পাঁচ দিনের জেল হেফাজতে
- আপডেট সময় : ০৩:০১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) শীর্ষ দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারিক জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে তাদের দিল্লির মন্দির মার্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়।
পুলিশের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অভিযুক্তরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। তাদের বিরুদ্ধে অনধিকার প্রবেশ, সরকারি কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান এবং মুচলেকার শর্ত ভঙ্গের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ভাষ্যমতে, তারা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। এর আগে একই ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে তারা মুচলেকা দিয়েছিলেন, যার শর্ত এবার ভঙ্গ হয়েছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।
একই ঘটনায় অজিঙ্কা শিন্ডের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। তবে সিজেপির আইনি দলের প্রধান রত্না সিং জানিয়েছেন, অজিঙ্কা শিন্দেকে ব্যক্তিগত মুচলেকায় মুক্তি দেয়া হয়েছে। রত্না সিং আরও অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তারের পর গভীর রাত পর্যন্ত তিন নেতাকে তাদের আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়া হয়নি এবং রাত ৩টার দিকে তাদের সংসদ মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে একে ভিন্নমত দমনের চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর আগে গত শনিবার বিক্ষোভের সময় আটক হওয়ার পর রাঙ্কা ও দাস এক বছরের জন্য শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার মুচলেকায় সই করেছিলেন। এছাড়া ৫০ হাজার রুপির মুচলেকায় তাদের মুক্তি পাওয়ার তথ্যও রয়েছে।
বর্তমানে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে সিজেপিসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করছে। এদিকে গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এক আদেশে রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ ও সিবিডি মাঠকে সমাবেশের স্থান হিসেবে ঘোষণা করেন এবং অনুমোদিত তালিকার বাইরে যন্তর মন্তরের নাম বাদ দেন। সিজেপি এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জানিয়েছে, রাজধানীর কেন্দ্রস্থল থেকে বিক্ষোভ সরিয়ে নিলে জনসমাবেশের প্রভাব কমে যাবে।


























