ঢাকা ০৭:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে সওজের সরকারি জমিতে গোরস্থান নির্মাণের চেষ্টা, কাজ বন্ধ

মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে আব্দুল এল-সায়েদের চমকপ্রদ জয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের চমক দেখিয়ে মিশিগানের বহুল আলোচিত ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে জয়লাভ করেছেন আব্দুল এল-সায়েদ। ৫ আগস্টের স্থানীয় ফলাফলে দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থনপুষ্ট কংগ্রেসওম্যান হেইলি স্টিভেন্সকে পরাজিত করে তিনি নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। এই ফলাফলের পর ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রগতিশীল শিবিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে।

মিশিগানের এবারের এই প্রাইমারি নির্বাচনকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের অন্যতম ব্যয়বহুল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই প্রচারণা ঘিরে বিভিন্ন সুপার প্যাক ও বাইরের সংগঠনের অর্থায়নে প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় করা হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং অঙ্গরাজ্যের জনপ্রিয় গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার শেষ মুহূর্তে হেইলি স্টিভেন্সের পক্ষে অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায় এল-সায়েদের পক্ষেই গিয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুল এল-সায়েদ এখন নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। রিপাবলিকান প্রাইমারিতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় রজার্স সহজেই দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। বর্তমান ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন না করার ঘোষণা দেওয়ায় আসনটি এবার উন্মুক্ত ছিল এবং তিনি প্রাইমারিতে স্টিভেন্সকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিশিগানের এই সিনেট নির্বাচন ওয়াশিংটনের ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সিনেটে রিপাবলিকানদের দখলে ৫৩টি আসন রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুনরুদ্ধারে ডেমোক্র্যাটদের জন্য মিশিগান ও জর্জিয়ার মতো ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলোতে জয় পাওয়া অপরিহার্য। ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া মাইক রজার্সকে নিয়ে রিপাবলিকান শিবিরও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। মিশিগানে ২০১৬ ও ২০২৪ সালে ট্রাম্প জয়ী হলেও ২০২০ সালে বাইডেনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন, ফলে এবারের নির্বাচন আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল ভোটব্যাংক এবং রিপাবলিকানদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের এই লড়াই ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে আব্দুল এল-সায়েদের চমকপ্রদ জয়

আপডেট সময় : ১০:৫২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের চমক দেখিয়ে মিশিগানের বহুল আলোচিত ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে জয়লাভ করেছেন আব্দুল এল-সায়েদ। ৫ আগস্টের স্থানীয় ফলাফলে দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থনপুষ্ট কংগ্রেসওম্যান হেইলি স্টিভেন্সকে পরাজিত করে তিনি নিজের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। এই ফলাফলের পর ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রগতিশীল শিবিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে।

মিশিগানের এবারের এই প্রাইমারি নির্বাচনকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের অন্যতম ব্যয়বহুল ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই প্রচারণা ঘিরে বিভিন্ন সুপার প্যাক ও বাইরের সংগঠনের অর্থায়নে প্রায় ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় করা হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং অঙ্গরাজ্যের জনপ্রিয় গভর্নর গ্রেচেন হুইটমার শেষ মুহূর্তে হেইলি স্টিভেন্সের পক্ষে অবস্থান নিলেও শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায় এল-সায়েদের পক্ষেই গিয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুল এল-সায়েদ এখন নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। রিপাবলিকান প্রাইমারিতে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় রজার্স সহজেই দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন। বর্তমান ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন না করার ঘোষণা দেওয়ায় আসনটি এবার উন্মুক্ত ছিল এবং তিনি প্রাইমারিতে স্টিভেন্সকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মিশিগানের এই সিনেট নির্বাচন ওয়াশিংটনের ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সিনেটে রিপাবলিকানদের দখলে ৫৩টি আসন রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুনরুদ্ধারে ডেমোক্র্যাটদের জন্য মিশিগান ও জর্জিয়ার মতো ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলোতে জয় পাওয়া অপরিহার্য। ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া মাইক রজার্সকে নিয়ে রিপাবলিকান শিবিরও বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। মিশিগানে ২০১৬ ও ২০২৪ সালে ট্রাম্প জয়ী হলেও ২০২০ সালে বাইডেনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন, ফলে এবারের নির্বাচন আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ডেমোক্র্যাটদের প্রগতিশীল ভোটব্যাংক এবং রিপাবলিকানদের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের এই লড়াই ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin