ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: প্রেস কর্মকর্তা আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে ইউরোপজুড়ে তীব্র ক্ষোভ, ছড়াচ্ছে বিক্ষোভ দুর্গাপূজা নিয়ে জামায়াত-শিবির-এনসিপি চক্রান্ত করছে: ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক ট্রাম্পের আহ্বানের মধ্যেও রাশিয়ায় ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা, নিহত ১ লালমোহনে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে জাল জব্দ, বিতরণে এতিমখানা মুম্বাইয়ে ফুটবল খেলে ফেরার পথে টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যুর মামলায় আসামি রাকিবের জামিন লোরকা থেকে এভারেট: পাঠজীবন ও লেখার গল্প শোনালেন রেবেকা পেরি সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: আগে না জানানোয় ঢাকার উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে ৩ বছর অপেক্ষার পর গ্রিন কার্ড পেলেন অভিনেত্রী মৌসুমী

বিচারিক স্বচ্ছতা ও সাংবাদিক: আদালতের এজলাসে প্রবেশাধিকার কেন অপরিহার্য

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আদালত কেবল বিচারপ্রার্থীর জায়গা নয়, এটি রাষ্ট্রের বিচারিক ক্ষমতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য মঞ্চ। সেখানে কী বলা হচ্ছে, কীভাবে বিচার চলছে এবং কোন যুক্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হচ্ছে—এসব জানার অধিকার কেবল মামলার পক্ষগুলোর নয়, সাধারণ মানুষেরও। আর জনগণের কাছে সেই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব সংবাদমাধ্যমের। তাই আদালতে সাংবাদিকদের উপস্থিতি কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং এটি ওপেন জাস্টিস বা উন্মুক্ত বিচার ব্যবস্থা, জনগণের জানার অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

বাংলাদেশে এর আইনি ভিত্তি অত্যন্ত স্পষ্ট। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ৩৫২ ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি আদালতের বিচার বা অপরাধের অনুসন্ধান একটি ওপেন কোর্ট এবং আদালতের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সাধারণ জনগণের সেখানে প্রবেশাধিকার থাকবে। যদিও বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো নির্দিষ্ট মামলায় প্রয়োজন মনে করলে কাউকে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারেন, তবে মূলনীতি হলো আদালত উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়া দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার চতুর্থ ব্যতিক্রমে আদালতের কার্যক্রমের সত্যনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশকে মানহানির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদে পাবলিক ট্রায়ালের নিশ্চয়তা এবং ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক্‌ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়েও ভার্চ্যুয়াল শুনানির ক্ষেত্রেও আগ্রহী সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ধারণাটি পাবলিক হেয়ারিংয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

সাংবাদিক আদালতে কেবল দর্শক হিসেবে বসেন না; তিনি বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং তা জনগণের কাছে তুলে ধরেন। প্রতিদিন অসংখ্য জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মামলার রায় বা আদেশ সাধারণ মানুষের পক্ষে সশরীরে গিয়ে জানা সম্ভব নয়, যা তারা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পারেন। তবে আদালতের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, সাক্ষীর গোপনীয়তা বা শিশু মামলার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে শুনানি সীমিত করা যেতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তার সাধারণ যুক্তি দেখিয়ে সাংবাদিকদের দীর্ঘ সময় বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা ওপেন জাস্টিসের দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে আইনজীবী ছাড়া অন্যদের এজলাসে প্রবেশ সীমিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট বিটের সাংবাদিক সংগঠনগুলো জানায়, ৭ জানুয়ারি থেকে সাংবাদিকদের আপিল বিভাগের এজলাসে পূর্বানুমতি ছাড়া ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে ৩ মে ২০২৬, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করে। ল রিপোর্টার্স ফোরামও প্রধান বিচারপতির কাছে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকারের দাবি জানায়।

বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থায় আদালতের কার্যক্রম সাধারণত জনগণ ও সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে রিচমন্ড নিউজপেপার্স ইনক্ বনাম ভার্জিনিয়া মামলায় ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতির অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যে ওপেন জাস্টিস প্রিন্সিপাল বিচারিক স্বচ্ছতার মৌলিক নীতি হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া ২০০১ সালে বোম্বে হাইকোর্ট এক রায়ে সাংবাদিকের আদালতে উপস্থিত থাকাকে ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১)(ডি) এবং প্রতিবেদন প্রকাশকে ১৯(১)(এ) অনুচ্ছেদের অধীনে অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আইসিসিপিআর-এর ১৪(১) অনুচ্ছেদেও সুষ্ঠু ও প্রকাশ্য শুনানির অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাইরে দাঁড়িয়ে বা আদেশের কপি নিয়ে সংবাদ করা পূর্ণাঙ্গ সাংবাদিকতার বিকল্প নয়, কারণ আইনজীবীর যুক্তি বা বিচারকের পর্যবেক্ষণ অনেক সময় লিখিত আদেশে থাকে না। আদালত বনাম সাংবাদিক নয়, বরং স্বাধীন বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে স্বচ্ছতা অপরিহার্য। সাংবাদিকেরা সেই স্বচ্ছতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদেরও দায়িত্বশীলতা, তথ্য যাচাই এবং আদালত অবমাননার বিধান মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এই দায়িত্ব পালনের সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে প্রবেশাধিকার কেড়ে নেওয়া কাম্য নয়। বিচার বিভাগ জনদৃষ্টির বাইরে থাকবে—এটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য নয়। বরং আদালতের দরজা নাগরিকের জন্য যতটা সম্ভব খোলা থাকা উচিত, আর সাংবাদিকরাই সেই মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন। নিরাপত্তার প্রয়োজন থাকলে তা জোরদার করা হোক, কিন্তু সাংবাদিকদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ও অস্বচ্ছ নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক বিচারব্যবস্থার জন্য ভালো দৃষ্টান্ত নয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচারিক স্বচ্ছতা ও সাংবাদিক: আদালতের এজলাসে প্রবেশাধিকার কেন অপরিহার্য

আপডেট সময় : ০৯:২৭:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

আদালত কেবল বিচারপ্রার্থীর জায়গা নয়, এটি রাষ্ট্রের বিচারিক ক্ষমতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য মঞ্চ। সেখানে কী বলা হচ্ছে, কীভাবে বিচার চলছে এবং কোন যুক্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হচ্ছে—এসব জানার অধিকার কেবল মামলার পক্ষগুলোর নয়, সাধারণ মানুষেরও। আর জনগণের কাছে সেই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব সংবাদমাধ্যমের। তাই আদালতে সাংবাদিকদের উপস্থিতি কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং এটি ওপেন জাস্টিস বা উন্মুক্ত বিচার ব্যবস্থা, জনগণের জানার অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

বাংলাদেশে এর আইনি ভিত্তি অত্যন্ত স্পষ্ট। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ৩৫২ ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি আদালতের বিচার বা অপরাধের অনুসন্ধান একটি ওপেন কোর্ট এবং আদালতের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সাধারণ জনগণের সেখানে প্রবেশাধিকার থাকবে। যদিও বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো নির্দিষ্ট মামলায় প্রয়োজন মনে করলে কাউকে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে পারেন, তবে মূলনীতি হলো আদালত উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়া দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারার চতুর্থ ব্যতিক্রমে আদালতের কার্যক্রমের সত্যনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশকে মানহানির আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। সংবিধানের ৩৫(৩) অনুচ্ছেদে পাবলিক ট্রায়ালের নিশ্চয়তা এবং ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক্‌ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়েও ভার্চ্যুয়াল শুনানির ক্ষেত্রেও আগ্রহী সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ধারণাটি পাবলিক হেয়ারিংয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

সাংবাদিক আদালতে কেবল দর্শক হিসেবে বসেন না; তিনি বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং তা জনগণের কাছে তুলে ধরেন। প্রতিদিন অসংখ্য জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মামলার রায় বা আদেশ সাধারণ মানুষের পক্ষে সশরীরে গিয়ে জানা সম্ভব নয়, যা তারা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পারেন। তবে আদালতের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, সাক্ষীর গোপনীয়তা বা শিশু মামলার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে শুনানি সীমিত করা যেতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তার সাধারণ যুক্তি দেখিয়ে সাংবাদিকদের দীর্ঘ সময় বিচারপ্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা ওপেন জাস্টিসের দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে আইনজীবী ছাড়া অন্যদের এজলাসে প্রবেশ সীমিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৬ সালের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট বিটের সাংবাদিক সংগঠনগুলো জানায়, ৭ জানুয়ারি থেকে সাংবাদিকদের আপিল বিভাগের এজলাসে পূর্বানুমতি ছাড়া ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে ৩ মে ২০২৬, বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরাম মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করে। ল রিপোর্টার্স ফোরামও প্রধান বিচারপতির কাছে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকারের দাবি জানায়।

বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থায় আদালতের কার্যক্রম সাধারণত জনগণ ও সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে রিচমন্ড নিউজপেপার্স ইনক্ বনাম ভার্জিনিয়া মামলায় ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতির অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যে ওপেন জাস্টিস প্রিন্সিপাল বিচারিক স্বচ্ছতার মৌলিক নীতি হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া ২০০১ সালে বোম্বে হাইকোর্ট এক রায়ে সাংবাদিকের আদালতে উপস্থিত থাকাকে ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১)(ডি) এবং প্রতিবেদন প্রকাশকে ১৯(১)(এ) অনুচ্ছেদের অধীনে অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের আইসিসিপিআর-এর ১৪(১) অনুচ্ছেদেও সুষ্ঠু ও প্রকাশ্য শুনানির অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাইরে দাঁড়িয়ে বা আদেশের কপি নিয়ে সংবাদ করা পূর্ণাঙ্গ সাংবাদিকতার বিকল্প নয়, কারণ আইনজীবীর যুক্তি বা বিচারকের পর্যবেক্ষণ অনেক সময় লিখিত আদেশে থাকে না। আদালত বনাম সাংবাদিক নয়, বরং স্বাধীন বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়াতে স্বচ্ছতা অপরিহার্য। সাংবাদিকেরা সেই স্বচ্ছতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদেরও দায়িত্বশীলতা, তথ্য যাচাই এবং আদালত অবমাননার বিধান মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এই দায়িত্ব পালনের সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে প্রবেশাধিকার কেড়ে নেওয়া কাম্য নয়। বিচার বিভাগ জনদৃষ্টির বাইরে থাকবে—এটি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য নয়। বরং আদালতের দরজা নাগরিকের জন্য যতটা সম্ভব খোলা থাকা উচিত, আর সাংবাদিকরাই সেই মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন। নিরাপত্তার প্রয়োজন থাকলে তা জোরদার করা হোক, কিন্তু সাংবাদিকদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ও অস্বচ্ছ নিষেধাজ্ঞা গণতান্ত্রিক বিচারব্যবস্থার জন্য ভালো দৃষ্টান্ত নয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo