ঢাকা ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এয়ারবাস ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এয়ারবাস কেনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৫০ শতাংশ তৈরি পোশাক ইউরোপে রপ্তানি হয়, তাই ইউরোপের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের বড় স্বার্থের বিষয়।

বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ফ্রান্স বা ইউরোপ কাউকে কোনো একক কোম্পানির ওপর নির্ভর করে থাকার পক্ষপাতী নয়। বরং তারা চায় বাংলাদেশ কারিগরি সুবিধা যাচাই করে এয়ারবাস ও বোয়িংয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুক। কয়েক বছর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কারিগরি মূল্যায়ন ও গুরুত্বভেদে এয়ারবাস কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল, যা তাদের বহরের জন্য সুবিধাজনক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমন একটি এয়ারবাস উড়োজাহাজ রয়েছে যা ঢাকা থেকে বিরতিহীনভাবে আমেরিকার পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম, যা বোয়িংয়ের নেই। বিমানের এই সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ কারিগরি ও যৌক্তিক, কোনো রাজনৈতিক কারণে নয়।

চুক্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এয়ারবাসের প্রতি এখনো আগ্রহ বজায় রেখেছে এবং আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে। তবে তিনি কারিগরি আলোচনার বিশদ বিবরণ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, এটি কোনো সরকার পর্যায়ের চুক্তি নয়, বরং সরাসরি এয়ারবাস কোম্পানির সঙ্গে বিমানের চুক্তি। তাই এ বিষয়ে তিনি চিন্তিত নন এবং আশা করছেন এর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে।

গণতান্ত্রিক সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশ যে সংস্কারের পথে এগোচ্ছে, ফ্রান্স সেদিকে নজর রাখছে। তিনি আরও বলেন, গণমানুষ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে ফ্রান্স সব সময় নিজেদের মতামত সরকারের সামনে তুলে ধরে।

তাঁরা জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কিছু উড়োজাহাজ বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে, ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের দিকে যা সরবরাহ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এয়ারবাস ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

আপডেট সময় : ০৪:১৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এয়ারবাস কেনার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ৫০ শতাংশ তৈরি পোশাক ইউরোপে রপ্তানি হয়, তাই ইউরোপের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের বড় স্বার্থের বিষয়।

বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ফ্রান্স বা ইউরোপ কাউকে কোনো একক কোম্পানির ওপর নির্ভর করে থাকার পক্ষপাতী নয়। বরং তারা চায় বাংলাদেশ কারিগরি সুবিধা যাচাই করে এয়ারবাস ও বোয়িংয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুক। কয়েক বছর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কারিগরি মূল্যায়ন ও গুরুত্বভেদে এয়ারবাস কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল, যা তাদের বহরের জন্য সুবিধাজনক। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এমন একটি এয়ারবাস উড়োজাহাজ রয়েছে যা ঢাকা থেকে বিরতিহীনভাবে আমেরিকার পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম, যা বোয়িংয়ের নেই। বিমানের এই সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ কারিগরি ও যৌক্তিক, কোনো রাজনৈতিক কারণে নয়।

চুক্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এয়ারবাসের প্রতি এখনো আগ্রহ বজায় রেখেছে এবং আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে। তবে তিনি কারিগরি আলোচনার বিশদ বিবরণ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, এটি কোনো সরকার পর্যায়ের চুক্তি নয়, বরং সরাসরি এয়ারবাস কোম্পানির সঙ্গে বিমানের চুক্তি। তাই এ বিষয়ে তিনি চিন্তিত নন এবং আশা করছেন এর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে।

গণতান্ত্রিক সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশ যে সংস্কারের পথে এগোচ্ছে, ফ্রান্স সেদিকে নজর রাখছে। তিনি আরও বলেন, গণমানুষ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে ফ্রান্স সব সময় নিজেদের মতামত সরকারের সামনে তুলে ধরে।

তাঁরা জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কিছু উড়োজাহাজ বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে, ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের দিকে যা সরবরাহ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo