ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ওঝার মৃত্যু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ৪৪

ফরিদপুরের সদরপুরে বিষাক্ত সাপের দংশনে আলমগীর ওঝা (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। পেশায় ইজিবাইকচালক আলমগীর শখের বশে সাপ ধরার কাজ করতেন এবং ওঝা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়দের তথ্যমতে, শুক্রবার সকালে শয়তানখালী ঘাটের চরে একটি সাপ দেখতে পেয়ে তিনি সেটিকে নির্বিষ দাঁড়াশ সাপ ভেবে ধরার চেষ্টা করেন। এ সময় সাপটি তাকে দংশন করে। সাপটি মূলত বিষধর কালাচ ছিল বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

দংশনের পরপরই আলমগীর স্থানীয় হাসপাতালে না গিয়ে তার বাবা সত্তার ওঝার কাছে যান। সত্তার ওঝা ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে বিষ নামানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তাতে আলমগীরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে তাকে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। শুক্রবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আকোটের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আছলাম বেপারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তিনি নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন এবং ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহত আলমগীর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের ছলেনামা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ওঝার মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ৪৪

ফরিদপুরের সদরপুরে বিষাক্ত সাপের দংশনে আলমগীর ওঝা (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। পেশায় ইজিবাইকচালক আলমগীর শখের বশে সাপ ধরার কাজ করতেন এবং ওঝা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়দের তথ্যমতে, শুক্রবার সকালে শয়তানখালী ঘাটের চরে একটি সাপ দেখতে পেয়ে তিনি সেটিকে নির্বিষ দাঁড়াশ সাপ ভেবে ধরার চেষ্টা করেন। এ সময় সাপটি তাকে দংশন করে। সাপটি মূলত বিষধর কালাচ ছিল বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

দংশনের পরপরই আলমগীর স্থানীয় হাসপাতালে না গিয়ে তার বাবা সত্তার ওঝার কাছে যান। সত্তার ওঝা ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে বিষ নামানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু তাতে আলমগীরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে তাকে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার আরও অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। শুক্রবার দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আকোটের চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আছলাম বেপারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, তিনি নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন এবং ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহত আলমগীর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের ছলেনামা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh