ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লালমোহনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সামরিক তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করে হত্যা করা উচিত: ট্রাম্প মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত: ৩৩৮ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের ঘোষণা মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, বিনা খরচে যাবে ১০ হাজার কর্মী ‘নগদ’ বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই, লাভজনক করার উদ্যোগ কাশ্মীরের মসজিদে অভিন্ন খুতবার প্রস্তাব, বিতর্কের মুখে ওয়াকফ বোর্ড ঈশ্বরদীতে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, থানায় মামলা পেশোয়ারে স্কুলের ছাদ ধসে ২৭ শিক্ষার্থীসহ নিহত ২৮ হামজার বিতর্কিত লাল কার্ডে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেফিল্ড কোচ সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী

ঠিকাদারের অবহেলায় বন্ধ সুন্দরগঞ্জের ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫: ১১

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও অসহযোগিতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সম্প্রতি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করলেও মাত্র তিন ঘণ্টা পরেই তা আবার বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সুপেয় পানির নিশ্চয়তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে পৌরসভার পানি সরবরাহ ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় এই শোধনাগারটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকার ‘এসএএম কনসোর্টিয়াম লিমিটেড’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নির্মাণের পর ১২ মাস পরীক্ষামূলকভাবে শোধনাগারটি চালু রেখে এরপর তা পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৩ মাস ১৯ দিন এটি সচল রাখার পর বন্ধ করে দেয়। এর পাশাপাশি পৌর এলাকায় ড্রেন ও রাস্তার নির্মাণকাজও অত্যন্ত ধীরগতিতে চলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।

পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পানি শোধনাগারটি চালু না করায় পৌরবাসী সুপেয় পানিসহ তাদের মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি স্থানীয় জনগণের পানির কষ্ট লাঘব করতে দ্রুত শোধনাগারটি সচল করার পাশাপাশি রাস্তার ড্রেন নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানান।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী খোকন রানা জানান, ঠিকাদারের অসহযোগিতাসহ বিভিন্ন জটিলতায় দীর্ঘদিন প্ল্যান্টটি বন্ধ ছিল। গত সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে তিন ঘণ্টার জন্য এটি চালু করা হলেও পরে বন্ধ করতে হয়। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত হস্তান্তরের তাগাদা দেওয়া হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহ থেকেই এটি নিয়মিত পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

can অন্যদিকে, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান জানিয়েছেন, শোধনাগারটি এখনো পৌরসভার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে এ বিষয়ে পৌরসভার সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ঈফফাত জাহান তুলি জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কারণেই মূলত শোধনাগারটি চালুর ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তবে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঠিকাদারের অবহেলায় বন্ধ সুন্দরগঞ্জের ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫: ১১

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও অসহযোগিতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে রয়েছে। পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সম্প্রতি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করলেও মাত্র তিন ঘণ্টা পরেই তা আবার বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সুপেয় পানির নিশ্চয়তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে পৌরসভার পানি সরবরাহ ও মানববর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় এই শোধনাগারটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকার ‘এসএএম কনসোর্টিয়াম লিমিটেড’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নির্মাণের পর ১২ মাস পরীক্ষামূলকভাবে শোধনাগারটি চালু রেখে এরপর তা পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করার কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ৩ মাস ১৯ দিন এটি সচল রাখার পর বন্ধ করে দেয়। এর পাশাপাশি পৌর এলাকায় ড্রেন ও রাস্তার নির্মাণকাজও অত্যন্ত ধীরগতিতে চলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।

পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পানি শোধনাগারটি চালু না করায় পৌরবাসী সুপেয় পানিসহ তাদের মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি স্থানীয় জনগণের পানির কষ্ট লাঘব করতে দ্রুত শোধনাগারটি সচল করার পাশাপাশি রাস্তার ড্রেন নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানান।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী খোকন রানা জানান, ঠিকাদারের অসহযোগিতাসহ বিভিন্ন জটিলতায় দীর্ঘদিন প্ল্যান্টটি বন্ধ ছিল। গত সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে তিন ঘণ্টার জন্য এটি চালু করা হলেও পরে বন্ধ করতে হয়। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত হস্তান্তরের তাগাদা দেওয়া হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহ থেকেই এটি নিয়মিত পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

can অন্যদিকে, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান জানিয়েছেন, শোধনাগারটি এখনো পৌরসভার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়নি। ফলে এ বিষয়ে পৌরসভার সরাসরি কিছু করার সুযোগ নেই। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ঈফফাত জাহান তুলি জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কারণেই মূলত শোধনাগারটি চালুর ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তবে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh