ঢাকা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে জুয়ার আসরে অভিযান: ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে নিয়মিত বসত জুয়ার আসর। সোমবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার টহল দল খবর পায় যে কার্যালয় সংলগ্ন একটি টিনশেড ঘরে জুয়ার আসর চলছে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আলমগীর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে একটি দল সেখানে সাঁড়াশি অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়াড়িরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানা হাতে আঘাত পান এবং তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল আলমগীর কবির (৩৩) এবং সদর ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।

অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৮) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে খেলার তাস, জুয়ার বোর্ডে থাকা নগদ টাকা, কয়েকটি স্মার্টফোন এবং চারটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পাল জানান, গ্রেপ্তার চারজনকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. খোদাদাদ হোসেন জানান, নিয়মিত মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। পুলিশের কিছু বিপথগামী সদস্যের জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়ার তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়েছে। সাধারণ অপরাধীদের মতোই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং বুধবার তাদের আদালতে হস্তান্তর করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে জুয়ার আসরে অভিযান: ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাশে নিয়মিত বসত জুয়ার আসর। সোমবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার টহল দল খবর পায় যে কার্যালয় সংলগ্ন একটি টিনশেড ঘরে জুয়ার আসর চলছে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আলমগীর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানার নেতৃত্বে একটি দল সেখানে সাঁড়াশি অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়াড়িরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানা হাতে আঘাত পান এবং তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চার পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শান্তি কুমার রায় (৩৭), কনস্টেবল মো. সোহেল রানা (৩৩), কনস্টেবল আলমগীর কবির (৩৩) এবং সদর ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই মো. শাহাদত জামান (৩৯)।

অভিযানের সময় পঞ্চগড় জেলা পুলিশের এটিএসআই আতাউর রহমান (৪০) এবং পিবিআই ঠাকুরগাঁওয়ের কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৮) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে খেলার তাস, জুয়ার বোর্ডে থাকা নগদ টাকা, কয়েকটি স্মার্টফোন এবং চারটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ঠাকুরগাঁও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লিখন হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৫ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩২৩ ও ৩২৫ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার পাল জানান, গ্রেপ্তার চারজনকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং পলাতক দুজনকে গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. খোদাদাদ হোসেন জানান, নিয়মিত মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। পুলিশের কিছু বিপথগামী সদস্যের জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়ার তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়েছে। সাধারণ অপরাধীদের মতোই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং বুধবার তাদের আদালতে হস্তান্তর করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh