রামপালে উৎপাদন কমায় লোডশেডিংয়ের কবলে দেশ
- আপডেট সময় : ০১:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না। উৎপাদন ঘাটতির এই সংকটের মধ্যেই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিটটি আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে কেন্দ্রটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে জাতীয় গ্রিডে এবং সারা দেশে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট-২ বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, কোনো ইউনিট বন্ধ হওয়ার পর তা সরাসরি পরিদর্শন বা মেরামত করা সম্ভব হয় না; প্রথমে সেটিকে কুল-ডাউন বা ঠাণ্ডা করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। বর্তমানে সেই প্রাথমিক প্রক্রিয়া চলছে। ভারত থেকে দুইজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ইউনিটটি পর্যবেক্ষণে আসবেন। তারা আসার পরই এটি কবে নাগাদ উৎপাদনে ফিরতে পারবে, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আপাতত পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে দুইদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে কয়লাস্বল্পতায় কেন্দ্রটির উৎপাদন কমে গেলেও বর্তমানে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে। তবে ইউনিটটি বন্ধ হওয়ায় উৎপাদন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের ওপর থেকে ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে এসেছে। কেন্দ্রটির একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কী কারণে ইউনিটটি বন্ধ হয়েছে তা খুঁজে বের করতে কাজ চলছে এবং দ্রুত উৎপাদনে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে রামপাল কেন্দ্র থেকে উৎপাদন কমলেও আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রোববার দুপুর থেকে আদানি তাদের বন্ধ হওয়া ইউনিট থেকে উৎপাদন বাড়াচ্ছে। সূত্রমতে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে আদানি থেকে ১ হাজার ৪৫২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গতকাল সন্ধ্যার পিক আওয়ারে দেশে ২ হাজারের বেশি মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়েছে।
কয়লার পর্যাপ্ত মজুত আছে।সূত্র বলছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে আদানি থেকে ১৪৫২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে।


























