ফেসবুকে ঋণের বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১
- আপডেট সময় : ০১:৩২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় ডিজিটাল ঋণের বিজ্ঞাপন প্রচার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল একটি চক্র। ‘গ্রামীন লোন’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম খুলে এই প্রতারণা চালানো হতো। সম্প্রতি এই চক্রের এক সদস্য মেহেদী হাসান মাহিনকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, লোনপ্রত্যাশীরা বিজ্ঞাপনে দেওয়া লিংকের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে তাঁদের একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হতো। এরপর ঋণ অনুমোদনের শর্ত হিসেবে কাঙ্ক্ষিত ঋণের ১০ শতাংশ টাকা জামানত হিসেবে বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে পাঠাতে হতো। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবিও সংগ্রহ করত চক্রটি।
টাকা পাওয়ার পর প্রতারণার পরবর্তী ধাপে ভুক্তভোগীর জন্য একটি ভুয়া ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হতো। সেখানে ঋণের পরিমাণ ও জামানতের টাকা ভার্চুয়ালি দেখানো হতো। ভুক্তভোগীরা মনে করতেন তাঁদের ঋণ অনুমোদিত হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে ওই টাকা উত্তোলনের কোনো সুযোগ ছিল না।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতারণার কাজে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত অবৈধ সিম ব্যবহার করত এই চক্র। এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল ভোর সাড়ে চারটার দিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানের সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৪৮৪টি বিকাশ ও নগদ হিসাব-সংবলিত সিম কার্ড, ৪৬টি স্মার্টফোন, ৮টি ল্যাপটপ, ২৭টি ব্যাংক কার্ড, ৩টি ডায়েরি, ১টি বাটন ফোন ও ২টি ব্যক্তিগত গাড়ি জব্দ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের নজরে এসেছে যে, তার ডিভাইসে ‘গ্রামীন লোন’ ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড সক্রিয় লগইন অবস্থায় ছিল। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সেখান থেকে মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।এ সময় মেহেদীর হেফাজত থেকে একটি ল্যাপটপ, চারটি মুঠোফোন ও বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ৬১টি অবৈধ সিম কার্ড জব্দ করা হয়।
তাঁদের মধ্যে গতকাল রাতে যশোরের কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ছয়জন এবং তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই রাতে মাদারীপুরের কালকিনি থেকে চক্রের মূল হোতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চক্রের মূল হোতা সাগর শিকদার (৩২), অমল কীর্তনিয়া (৩০), মিথুন সরকার (২৪), সুনীল মৃধা (২৫), কাজী উসরাত আঞ্জুমান (২০), মারুফা (২১) ও মো.




























