ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ শাল্লায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত সিলেটে সওজের সরকারি জমিতে গোরস্থান নির্মাণের চেষ্টা, কাজ বন্ধ

আপিল বিভাগে এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতিসহ বিচারপতিরা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বক্তব্যের একপর্যায়ে এজলাস ত্যাগ করেছেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর সুপ্রিম কোর্টের এক নম্বর এজলাসে এ ঘটনা ঘটে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, এজলাস ত্যাগের পর ওইদিন আর আদালত বসেননি।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় থাকা এক নম্বর আইটেমের একটি মামলায় নারী আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা খরচা আরোপ করা হয়েছিল। ১৩ নম্বর আইটেমের শুনানি শেষ হওয়ার পর তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। খোকন বলেন, তিনি প্রধান বিচারপতিকে বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলেন যে, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর আপিল বিভাগে মামলার সংখ্যা কমে গেছে এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা একজন জুনিয়র আইনজীবীর জন্য অনেক বেশি। তিনি জরিমানার আদেশটি মাফ করে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

মাহবুব উদ্দিন খোকন আরও বলেন, তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন আগে ১১ জন বিচারপতি ও তিনটি বেঞ্চ থাকলেও এখন একটি বেঞ্চ থাকায় মামলার জট বেড়েছে এবং আইনজীবীদের আয় কমেছে। তিনি বলেন, 'আমি খুব বিনয়ের সঙ্গে বললাম। আমি চিন্তা করিনি যে উনি এত রিঅ্যাক্ট করবেন। ওনারা তো রাগ অভিমানের ঊর্ধ্বে বিচার করার কথা। আর আইনজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে আমার অবলিগেশন আছে, ওনার কাছে আইনজীবীদের পক্ষে আবেদন করার।'

হাইকোর্ট বিভাগের বর্ধিত ভবনের সামনে মাহবুব উদ্দিন খোকন আরও অভিযোগ করেন, চেম্বার আদালতে স্থগিতাদেশ পাওয়া মামলাগুলো শুনানির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়। তিনি বলেন, সেখানে কোনো মেনশন করা যায় না কেন মামলাটি কার্যতালিকায় ওপরে ছিল এবং নিচে কেন গেল। যেহেতু এখন একটি বেঞ্চ, তাই মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার পাচ্ছে না এবং মামলা শুনানি করতে পারছে না। তিনি আরও বলেন, মামলা শুনানি হলে আইনজীবীদের আয় হবে, কম হোক বা বেশি হোক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

আপিল বিভাগে এজলাস ছাড়লেন প্রধান বিচারপতিসহ বিচারপতিরা

আপডেট সময় : ০৪:২০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের বক্তব্যের একপর্যায়ে এজলাস ত্যাগ করেছেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বিচারপতিরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর সুপ্রিম কোর্টের এক নম্বর এজলাসে এ ঘটনা ঘটে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সূত্র জানিয়েছে, এজলাস ত্যাগের পর ওইদিন আর আদালত বসেননি।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় থাকা এক নম্বর আইটেমের একটি মামলায় নারী আইনজীবীকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা খরচা আরোপ করা হয়েছিল। ১৩ নম্বর আইটেমের শুনানি শেষ হওয়ার পর তিনি প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। খোকন বলেন, তিনি প্রধান বিচারপতিকে বিনয়ের সঙ্গে বলেছিলেন যে, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর আপিল বিভাগে মামলার সংখ্যা কমে গেছে এবং পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা একজন জুনিয়র আইনজীবীর জন্য অনেক বেশি। তিনি জরিমানার আদেশটি মাফ করে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

মাহবুব উদ্দিন খোকন আরও বলেন, তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন আগে ১১ জন বিচারপতি ও তিনটি বেঞ্চ থাকলেও এখন একটি বেঞ্চ থাকায় মামলার জট বেড়েছে এবং আইনজীবীদের আয় কমেছে। তিনি বলেন, 'আমি খুব বিনয়ের সঙ্গে বললাম। আমি চিন্তা করিনি যে উনি এত রিঅ্যাক্ট করবেন। ওনারা তো রাগ অভিমানের ঊর্ধ্বে বিচার করার কথা। আর আইনজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে আমার অবলিগেশন আছে, ওনার কাছে আইনজীবীদের পক্ষে আবেদন করার।'

হাইকোর্ট বিভাগের বর্ধিত ভবনের সামনে মাহবুব উদ্দিন খোকন আরও অভিযোগ করেন, চেম্বার আদালতে স্থগিতাদেশ পাওয়া মামলাগুলো শুনানির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়। তিনি বলেন, সেখানে কোনো মেনশন করা যায় না কেন মামলাটি কার্যতালিকায় ওপরে ছিল এবং নিচে কেন গেল। যেহেতু এখন একটি বেঞ্চ, তাই মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার পাচ্ছে না এবং মামলা শুনানি করতে পারছে না। তিনি আরও বলেন, মামলা শুনানি হলে আইনজীবীদের আয় হবে, কম হোক বা বেশি হোক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo