ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা আপা আর ফিরে আসবে না, খুনিদের ছাড় নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী বারিধারায় গাড়িচাপা: কিশোর চালক আজান আলী শরীফ অবশেষে গ্রেপ্তার সম্ভাবনা থেকে সংকটে গণঅধিকার পরিষদ: রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার লড়াই মাস্টার্স পরীক্ষার আগেই বিচারক হলেন ইবির রাজু আহমেদ

ইউপি নির্বাচনে পরিচালনা ব্যয় বাড়ছে ২৪৩ শতাংশ, মোট খরচ ৩ হাজার কোটি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পরিচালনা ব্যয় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হিসাব অনুযায়ী, পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই খাতের খরচ প্রায় ২৪৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০২১ সালের নির্বাচনে ছিল ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সব খাত মিলিয়ে আসন্ন এই নির্বাচনে মোট ব্যয় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসির নথিপত্র ও সূত্র থেকে জানা গেছে, বিশাল এই নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে শিগগির নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট তিন বিভাগের মধ্যে অর্থসংস্থান সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে ১২টি খাতে কোডভিত্তিক পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৪ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ ব্যয় হবে সম্মাননা ভাতায়, যার পরিমাণ ৪৪৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এছাড়া অন্যান্য মনিহারি খাতে ৭১ কোটি ৯৯ লাখ, যাতায়াত ভাতায় ৯৬ কোটি, আপ্যায়ন ব্যয়ে ৯৬ কোটি ৭৪ লাখ, প্রচার ও বিজ্ঞাপনে ৭ কোটি, মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ে ৫০ কোটি, যানবাহন ব্যবহারে ২ কোটি এবং দায়িত্ব পালনকালে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকের মজুরি ১৭ কোটি ১৬ লাখ, জ্বালানি খাতে ৪৬ কোটি ৬০ লাখ, দৈনিক ভাতায় ১ কোটি ৮২ লাখ এবং পরিবহন ব্যয়ে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন উপখাতেও ব্যয় কয়েকগুণ বাড়ছে। প্রায় ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্রের বেষ্টনী নির্মাণ, ভোটকক্ষ প্রস্তুতকরণ, মেরামত ও গোপন বুথ তৈরিতে গত নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ১৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, যা এবার বাড়িয়ে ৪৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। আড়াই হাজার রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য আগে বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, এবার তা বাড়িয়ে ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে কর্মকর্তাপ্রতি ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ বাড়ছে। এছাড়া ব্যালট পেপার মুদ্রণ, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স সরবরাহ, আচরণবিধি তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দেশের ৪,৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩,৯৮১টির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ (2026) এর মধ্যে শেষ হতে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে ভোট সম্পন্ন করতে হলে অক্টোবরের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা করতে হবে। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গত সোমবার জানিয়েছেন, নভেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে তাদের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। তবে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় ভোটগ্রহণ সূচি সমন্বয় করা কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ অধিকাংশ স্কুল-কলেজ ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং শিক্ষকরা ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করেন। গতবার সাতটি ধাপে (বিশেষ ধাপসহ আট ধাপে ৪,১১৪টি ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১৯৬ দিন সময় লেগেছিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থানান্তরে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এবার এসব অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে ধাপে ধাপে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করছে ইসি।

তফসিল ঘোষণার আগে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি। তবে সংলাপে না বসলে চলতি মাসেই তফসিল হতে পারে বলেও আভাস রয়েছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়ার পরই তা সরকারের কাছে পাঠানো হবে। এদিকে, দেশে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার৬৪৩ জন। ভোটার স্থানান্তরের আবেদন করার সময়সীমা ৭ সেপ্টেম্বর এবং নিষ্পত্তির সময় ১০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা মুদ্রণ শুরু হবে।

বিগত ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল মোট সাতটি ধাপে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৬৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ৮৪০টি, তৃতীয় ধাপে ১,০০০টি, চতুর্থ ধাপে ৮৩৭টি, পঞ্চম ধাপে ৭০৮টি, ষষ্ঠ ধাপে ২১৬টি এবং সপ্তম ধাপে ১৩৬টি ইউপিতে ভোট হয়। এছাড়া বিশেষ বা অষ্টম ধাপে আরো ৯টিসহ মোট ৪,১১৪টি ইউপির নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছিল। সে সময় পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করতে ইসির সময় লেগেছিল ১৯৬ দিন বা প্রায় ছয় মাস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচনে পরিচালনা ব্যয় বাড়ছে ২৪৩ শতাংশ, মোট খরচ ৩ হাজার কোটি

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (2026) তারিখে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পরিচালনা ব্যয় ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হিসাব অনুযায়ী, পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই খাতের খরচ প্রায় ২৪৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫১ কোটি ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা ২০২১ সালের নির্বাচনে ছিল ৪৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সব খাত মিলিয়ে আসন্ন এই নির্বাচনে মোট ব্যয় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসির নথিপত্র ও সূত্র থেকে জানা গেছে, বিশাল এই নির্বাচনী ব্যয় মেটাতে শিগগির নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট তিন বিভাগের মধ্যে অর্থসংস্থান সংক্রান্ত একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে ১২টি খাতে কোডভিত্তিক পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৪ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ ব্যয় হবে সম্মাননা ভাতায়, যার পরিমাণ ৪৪৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এছাড়া অন্যান্য মনিহারি খাতে ৭১ কোটি ৯৯ লাখ, যাতায়াত ভাতায় ৯৬ কোটি, আপ্যায়ন ব্যয়ে ৯৬ কোটি ৭৪ লাখ, প্রচার ও বিজ্ঞাপনে ৭ কোটি, মুদ্রণ ও বাঁধাইয়ে ৫০ কোটি, যানবাহন ব্যবহারে ২ কোটি এবং দায়িত্ব পালনকালে হতাহতদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকের মজুরি ১৭ কোটি ১৬ লাখ, জ্বালানি খাতে ৪৬ কোটি ৬০ লাখ, দৈনিক ভাতায় ১ কোটি ৮২ লাখ এবং পরিবহন ব্যয়ে ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন উপখাতেও ব্যয় কয়েকগুণ বাড়ছে। প্রায় ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্রের বেষ্টনী নির্মাণ, ভোটকক্ষ প্রস্তুতকরণ, মেরামত ও গোপন বুথ তৈরিতে গত নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ১৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, যা এবার বাড়িয়ে ৪৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। আড়াই হাজার রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য আগে বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, এবার তা বাড়িয়ে ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যেখানে কর্মকর্তাপ্রতি ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ বাড়ছে। এছাড়া ব্যালট পেপার মুদ্রণ, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স সরবরাহ, আচরণবিধি তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দেশের ৪,৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩,৯৮১টির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ (2026) এর মধ্যে শেষ হতে যাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে ভোট সম্পন্ন করতে হলে অক্টোবরের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা করতে হবে। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গত সোমবার জানিয়েছেন, নভেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নিয়ে তাদের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। তবে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় ভোটগ্রহণ সূচি সমন্বয় করা কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ অধিকাংশ স্কুল-কলেজ ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং শিক্ষকরা ভোটগ্রহণের দায়িত্ব পালন করেন। গতবার সাতটি ধাপে (বিশেষ ধাপসহ আট ধাপে ৪,১১৪টি ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১৯৬ দিন সময় লেগেছিল এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থানান্তরে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এবার এসব অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে ধাপে ধাপে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করছে ইসি।

তফসিল ঘোষণার আগে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি। তবে সংলাপে না বসলে চলতি মাসেই তফসিল হতে পারে বলেও আভাস রয়েছে। ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের আচরণ বিধিমালার খসড়া চূড়ান্ত করে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়ার পরই তা সরকারের কাছে পাঠানো হবে। এদিকে, দেশে বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার৬৪৩ জন। ভোটার স্থানান্তরের আবেদন করার সময়সীমা ৭ সেপ্টেম্বর এবং নিষ্পত্তির সময় ১০ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা মুদ্রণ শুরু হবে।

বিগত ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল মোট সাতটি ধাপে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৬৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ৮৪০টি, তৃতীয় ধাপে ১,০০০টি, চতুর্থ ধাপে ৮৩৭টি, পঞ্চম ধাপে ৭০৮টি, ষষ্ঠ ধাপে ২১৬টি এবং সপ্তম ধাপে ১৩৬টি ইউপিতে ভোট হয়। এছাড়া বিশেষ বা অষ্টম ধাপে আরো ৯টিসহ মোট ৪,১১৪টি ইউপির নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছিল। সে সময় পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করতে ইসির সময় লেগেছিল ১৯৬ দিন বা প্রায় ছয় মাস।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh