শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: এমপি সিরাজ
- আপডেট সময় : ০৯:০০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯: ৫৭
বগুড়ার শেরপুরে মৃত পরিবহন শ্রমিকদের পরিবারের মাঝে এককালীন নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় বাসট্যান্ড করতোয়া বাস টার্মিনালে শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মৃত শ্রমিকদের পরিবারের পাশাপাশি শ্রমিক সদস্যদের কন্যা, দায়গ্রস্ত পরিবার এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায় ১২ লাখ টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, প্রকৃত শ্রমিকদের যথার্থ মূল্যায়ন করতে হবে। শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এবং তারা দেশের সম্পদ। তাদের শ্রম ও ঘামের ওপর দেশের অর্থনীতির অনেকটাই নির্ভরশীল, তাই তাদের ন্যায্য অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মাদক প্রতিরোধে শ্রমিক সংগঠনগুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, শ্রমিক সংগঠনগুলোকে সজাগ থাকতে হবে যাতে কোনো শ্রমিক মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হয়। মাদক শুধু একজন শ্রমিককে নয়, তার পরিবার ও সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এডহক কমিটির আহ্বায়ক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র জানে আলম খোকার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব শহীদুল ইসলাম বাবলু। সভাপতির বক্তব্যে জানে আলম খোকা জানান, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও শ্রমিকরা মানুষের যাতায়াতের সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রমিক ও তাদের পরিবারের কল্যাণে সহযোগিতার ধারা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক সাইদুজ্জামান হিমু, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র স্বাধীন কুমার কুন্ডু, বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ সিরাজ রব্বানী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি রফিকুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ জুয়েল, উপজেলা সম্মিলিত মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের উপদেষ্টা ও কুসুম্বী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম পান্না, শেরপুর থানার ওসি মো. মঈন উদ্দিন, হাইওয়ে থানার ওসি আইয়ুব আলী এবং স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা। বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা মানুষের সেবা দিয়ে থাকেন, তাই কর্মরত অবস্থায় কারো মৃত্যু হলে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব।




























