ঢাকা ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভ বাংলাদেশের জেন-জি আন্দোলন ভারতের তরুণদের পথ দেখিয়েছে: নেহা বোরা সৌদি আরবে হুতি হামলা: শাহজালালে ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫৩৯৩ যাত্রী রাজধানীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত চালক শাহরাস্তিতে স্কুল ফাঁকি দিয়ে ঘোরাফেরা করায় ১৬ শিক্ষার্থী আটক ভোলায় নদীভাঙন রোধে ৬০৫ কোটি টাকার প্রকল্প, এলাকাবাসীর আনন্দ দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে মা ইলিশ নিধন হরমুজ প্রণালিতে সিঙ্গাপুরের দুটি জাহাজে হামলা, একটি ডুবেছে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সাজেক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা: ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

টাকার বিনিময়ে মানুষ ধরে আনে নিরাময় কেন্দ্রের ‘ক্যাচিং পার্টি’

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



অবৈধ ও অসাধু রিহ্যাব সেন্টারগুলো চিকিৎসার নামে মাদকাসক্ত বা মানসিক রোগীদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, ব্ল্যাকমেইল এবং দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যের এক ভয়ংকর ফাঁদ পেতে বসেছে। নিরাময় কেন্দ্রের আড়ালে অনেক জায়গায় মাদক ব্যবসা ও টর্চার সেল চালানোর মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও নজরে এসেছে। এমনকি রোগীকে সুস্থ করে তোলার নামে অভিভাবকদের মাদক কেনার টাকা দিতেও বাধ্য করা হয়। এসব কেন্দ্রের প্রধান টার্গেটই হলো অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।

এখানেই শেষ নয়, সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে শুরু করে সম্পত্তির বিরোধে ভাড়া খাটে নিরাময় কেন্দ্রের বিশেষ টিম, যাদের নাম ‘ক্যাচিং পার্টি’। টাকার বিনিময়ে ভালো মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে তারা বন্দি করে রাখে। ঢাকার বাইরে খরচ আরও বেশি। সেক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটার হিসাবে টাকা দিতে হয়। তবে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট থেকে কাউকে ধরে আনার ন্যূনতম খরচ ৫০ হাজার টাকা।

ভয়াবহ মাদকাসক্তি নিয়ে নিরাময়কেন্দ্রে বন্দি রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর এক ছাত্র। তাকেও নিরাময়কেন্দ্রের ক্যাচিং পার্টির সাহায্যে ধরে আনা হয়। এখানে আসার আগে নেশার জন্য প্রতিদিন অন্তত ১৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করতে হতো তাকে। তবে নিরাময়কেন্দ্রে ভর্তির পর সুস্থ হওয়া দূরের কথা, বন্দিশালায় ক্রমেই মানসিক রোগীতে পরিণত হচ্ছেন তিনি। তার বাবা বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) সাবেক পরিচালক।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে মাদকের বিস্তার বাড়ছে। এছাড়া শিক্ষার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত স্বাধীনতা, একাকিত্ব এবং অঢেল অর্থবিত্তের প্রভাবে নেশার দিকে ধাবিত হচ্ছেন অনেকে। প্রযুক্তির প্রভাব এবং পারিবারিক বন্ধন কমে যাওয়াও মাদকাসক্তির অন্যতম কারণ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

টাকার বিনিময়ে মানুষ ধরে আনে নিরাময় কেন্দ্রের ‘ক্যাচিং পার্টি’

আপডেট সময় : ১০:১৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

অবৈধ ও অসাধু রিহ্যাব সেন্টারগুলো চিকিৎসার নামে মাদকাসক্ত বা মানসিক রোগীদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, ব্ল্যাকমেইল এবং দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যের এক ভয়ংকর ফাঁদ পেতে বসেছে। নিরাময় কেন্দ্রের আড়ালে অনেক জায়গায় মাদক ব্যবসা ও টর্চার সেল চালানোর মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও নজরে এসেছে। এমনকি রোগীকে সুস্থ করে তোলার নামে অভিভাবকদের মাদক কেনার টাকা দিতেও বাধ্য করা হয়। এসব কেন্দ্রের প্রধান টার্গেটই হলো অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।

এখানেই শেষ নয়, সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে শুরু করে সম্পত্তির বিরোধে ভাড়া খাটে নিরাময় কেন্দ্রের বিশেষ টিম, যাদের নাম ‘ক্যাচিং পার্টি’। টাকার বিনিময়ে ভালো মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে তারা বন্দি করে রাখে। ঢাকার বাইরে খরচ আরও বেশি। সেক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটার হিসাবে টাকা দিতে হয়। তবে চট্টগ্রাম কিংবা সিলেট থেকে কাউকে ধরে আনার ন্যূনতম খরচ ৫০ হাজার টাকা।

ভয়াবহ মাদকাসক্তি নিয়ে নিরাময়কেন্দ্রে বন্দি রয়েছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর এক ছাত্র। তাকেও নিরাময়কেন্দ্রের ক্যাচিং পার্টির সাহায্যে ধরে আনা হয়। এখানে আসার আগে নেশার জন্য প্রতিদিন অন্তত ১৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন করতে হতো তাকে। তবে নিরাময়কেন্দ্রে ভর্তির পর সুস্থ হওয়া দূরের কথা, বন্দিশালায় ক্রমেই মানসিক রোগীতে পরিণত হচ্ছেন তিনি। তার বাবা বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (সিভিল এভিয়েশন) সাবেক পরিচালক।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, পাশ্চাত্য সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে মাদকের বিস্তার বাড়ছে। এছাড়া শিক্ষার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত স্বাধীনতা, একাকিত্ব এবং অঢেল অর্থবিত্তের প্রভাবে নেশার দিকে ধাবিত হচ্ছেন অনেকে। প্রযুক্তির প্রভাব এবং পারিবারিক বন্ধন কমে যাওয়াও মাদকাসক্তির অন্যতম কারণ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor